০২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় নির্বাচনে ফিরল নির্দলীয় প্রতীক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হতে যাচ্ছে। পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ও সমন্বিত আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন বিধিমালায় পোস্টার নিষিদ্ধের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অপব্যবহারেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

পোস্টার নিষিদ্ধ, বিলবোর্ডে সীমা

নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে সাদা-কালো ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। স্থানীয় নির্বাচনে এবার প্রথমবারের মতো সীমিত পরিসরে বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট। সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। উপজেলা নির্বাচনে পুরো উপজেলায় সর্বোচ্চ ২০টি এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতি থানা বা উপজেলায় একটি বিলবোর্ড রাখা যাবে।

প্রচারসামগ্রীতে প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না। পলিথিনের আবরণ ও পিভিসি ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচারণায় জীবন্ত প্রাণী ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে।

মাইকিংয়ে নতুন সময়সূচি

নির্বাচনী প্রচারে মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহারের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে। একাধিক মাইক্রোফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকছে।

ক্যারাভান বা ভ্রাম্যমাণ বাহন ব্যবহার করে প্রচারের সুযোগ রাখা হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচনে মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচনী ক্যাম্পের সংখ্যাও সীমিত করা হয়েছে। পুরো উপজেলায় একটি কেন্দ্রীয় ক্যাম্প, প্রতিটি ইউনিয়নে একটি এবং পৌরসভা এলাকায় প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি ক্যাম্প করা যাবে।

এআইয়ের অপব্যবহারে কঠোরতা

ডিজিটাল মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ থাকলেও এআইয়ের অপব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে ইসি। অনলাইনে প্রচারণায় যে অর্থ ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে দেখাতে হবে।

এ ছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের তথ্য সংগ্রহকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

বাড়ল জরিমানা, বাতিল হতে পারে প্রার্থিতা

আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তিও কঠোর করা হয়েছে। জরিমানার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান থাকছে।

অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিলও করতে পারবে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতেই নতুন আচরণবিধিতে এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন বিধিমালার মাধ্যমে ২০১৬ সালের পুরোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনী আচরণবিধি বাতিল করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধির সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

স্থানীয় নির্বাচনে ফিরল নির্দলীয় প্রতীক

আপডেট সময় : ১২:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হতে যাচ্ছে। পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ও সমন্বিত আচরণবিধি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন বিধিমালায় পোস্টার নিষিদ্ধের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের অপব্যবহারেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

পোস্টার নিষিদ্ধ, বিলবোর্ডে সীমা

নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে সাদা-কালো ব্যানার, ফেস্টুন, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। স্থানীয় নির্বাচনে এবার প্রথমবারের মতো সীমিত পরিসরে বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট। সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে। উপজেলা নির্বাচনে পুরো উপজেলায় সর্বোচ্চ ২০টি এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতি থানা বা উপজেলায় একটি বিলবোর্ড রাখা যাবে।

প্রচারসামগ্রীতে প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না। পলিথিনের আবরণ ও পিভিসি ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রচারণায় জীবন্ত প্রাণী ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে।

মাইকিংয়ে নতুন সময়সূচি

নির্বাচনী প্রচারে মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহারের সময়ও পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত মাইকিং করা যাবে। একাধিক মাইক্রোফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকছে।

ক্যারাভান বা ভ্রাম্যমাণ বাহন ব্যবহার করে প্রচারের সুযোগ রাখা হলেও জেলা পরিষদ নির্বাচনে মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচনী ক্যাম্পের সংখ্যাও সীমিত করা হয়েছে। পুরো উপজেলায় একটি কেন্দ্রীয় ক্যাম্প, প্রতিটি ইউনিয়নে একটি এবং পৌরসভা এলাকায় প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি ক্যাম্প করা যাবে।

এআইয়ের অপব্যবহারে কঠোরতা

ডিজিটাল মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ থাকলেও এআইয়ের অপব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে ইসি। অনলাইনে প্রচারণায় যে অর্থ ব্যয় হবে, তা প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে দেখাতে হবে।

এ ছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের তথ্য সংগ্রহকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

বাড়ল জরিমানা, বাতিল হতে পারে প্রার্থিতা

আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তিও কঠোর করা হয়েছে। জরিমানার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান থাকছে।

অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিলও করতে পারবে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতেই নতুন আচরণবিধিতে এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন বিধিমালার মাধ্যমে ২০১৬ সালের পুরোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচনী আচরণবিধি বাতিল করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধির সঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।