সন্তানদের জন্য হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর যে দোয়া
- আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা করেন সব বাবা-মা। ভালো পড়াশোনা, সফল ক্যারিয়ার, নিরাপদ জীবন—এসবের পাশাপাশি সন্তান যেন ঈমানদার ও সৎ মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে, সেটিও প্রত্যেক অভিভাবকের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা। সন্তানের কল্যাণে তাই দোয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
পবিত্র কোরআনে হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর এমন একটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে, যেখানে তিনি নিজের পাশাপাশি তাঁর সন্তান ও বংশধরদের নামাজ কায়েমকারী হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন।
দোয়াটি হলো—
رَبِّ اجْعَلْنِیْ مُقِیْمَ الصَّلٰوةِ وَ مِنْ ذُرِّیَّتِیْ، رَبَّنَا وَ تَقَبَّلْ دُعَآءِ
উচ্চারণ: রাব্বিজআলনি মুকিমাস-সালাতি ওয়া মিন জুররিইয়্যাতি, রাব্বানা ওয়া তাকাব্বাল দুআ।
অর্থ: ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সালাত কায়েমকারী করুন এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমাদের প্রতিপালক! আমার প্রার্থনা কবুল করুন।’
—সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪০
এই দোয়ায় সন্তানদের দ্বীনি ও নৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে একজন আদর্শ অভিভাবকের চিন্তার প্রতিফলন পাওয়া যায়। হজরত ইবরাহিম (আ.) শুধু নিজের জন্য নামাজ কায়েমের তাওফিক চাননি; তিনি তাঁর সন্তান ও পরবর্তী বংশধরদের জন্যও একই কল্যাণ কামনা করেছেন।
বর্তমান সময়ে সন্তানদের পড়াশোনা, ক্যারিয়ার ও প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে অভিভাবকদের ব্যস্ততা অনেক বেড়েছে। তবে এসবের পাশাপাশি সন্তান আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে কি না এবং নামাজের অভ্যাস গড়ে উঠছে কি না, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
পার্থিব জীবনের সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও ঈমান ও নেক আমল মানুষের চূড়ান্ত সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সন্তানকে ভালো কথা বলা, নামাজে উৎসাহ দেওয়া এবং নিজের আচরণের মাধ্যমে আদর্শ স্থাপনের পাশাপাশি তার জন্য আল্লাহর কাছে নিয়মিত দোয়া করাও অভিভাবকের দায়িত্বের অংশ।


























