০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন মঙ্গলবার দুপুরে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রপতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

সাক্ষাতের শুরুতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশের জনগণের সেবায় রাষ্ট্রপতির সাফল্য কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের পক্ষ থেকে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক বন্ধনের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের বিষয়েও আলোচনা করেন তারা। দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় হয়।

দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্ব

সাক্ষাতে পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থকে সামনে রেখে সহযোগিতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা

সাক্ষাতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কূটনৈতিক পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ ও সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতেও দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় : ০১:৪১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন মঙ্গলবার দুপুরে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রপতিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

সাক্ষাতের শুরুতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশের জনগণের সেবায় রাষ্ট্রপতির সাফল্য কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতের পক্ষ থেকে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সাংস্কৃতিক বন্ধনের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের বিষয়েও আলোচনা করেন তারা। দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় হয়।

দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্ব

সাক্ষাতে পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থকে সামনে রেখে সহযোগিতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা

সাক্ষাতে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কূটনৈতিক পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ ও সৌজন্য সাক্ষাৎ দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতেও দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।