রাজশাহীর সাবেক মেয়র লিটনসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- আপডেট সময় : ০৩:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজশাহীতে দুজনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং চারজনকে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন মামলার অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তিনটি ভিডিও ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ভিডিওতে কয়েকজন আসামিকে অস্ত্র হাতে গুলি করতে দেখা যায়।
প্রাইমা ফেসি গ্রাউন্ড বিবেচনায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার পাশাপাশি পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং কারাগারে থাকা আসামিদের হাজিরের জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন জানায় প্রসিকিউশন। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করেন।
প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি হওয়া চারজন হলেন—রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক এমপি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ, ডাবলু সরকার, জহিরুল ইসলাম রুবেল ও মোহাইমিনুল ইসলাম মানিক।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া ৩৪ জনের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, বিপ্লব বিজয় তালুকদার, হুমায়ুন কবির, রকি কুমার ঘোষ, রাশিক দত্ত, বাপ্পী চৌধুরী রনি, মহিদুল ইসলাম মোস্তফা, খালিদ হাসান বিপ্লব, রাশেদুল করিম রোজেল, মেহেদী হাসান ওরফে রনি, জেডু সরকার ওরফে জাবেদুর রহমানসহ অন্যরা।
এর আগে গত ৩০ জুলাই এই ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজশাহী মহানগরের বোয়ালিয়া থানার শেখেরচক স্বচ্ছ টাওয়ারের বিপরীতে লবঙ্গ রেস্টুরেন্টের সামনে আন্দোলনকারী রায়হান আলীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই সময়ে শাহ মখদুম কলেজের সামনে নিহত হন আনজুম সাকিব। এ ছাড়া সালমান ওরফে শিমুলসহ আরও অনেকে আহত হন।
প্রসিকিউশনের দাবি, শেখেরচক স্বচ্ছ টাওয়ার, শাহ মখদুম কলেজ, পদ্মা নদীর বেড়িবাঁধ, আলুপট্টি মোড় ও আশপাশের এলাকায় সংঘটিত এসব ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।






















