১২:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়ছে

আহমেদ রাসেল, টাঙ্গাইল
  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা বাড়ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর দলটির কিছু নেতাকর্মী প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক ঝটিকা মিছিলের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে এসব তৎপরতা ঠেকাতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা

জানা গেছে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে টাঙ্গাইলের দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার পর সম্প্রতি তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হচ্ছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ক্রীড়া সংগঠন এবং পাড়া-মহল্লার সাংস্কৃতিক ফোরামকে কেন্দ্র করে অনেকে যোগাযোগ পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। সামাজিক উৎসব, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও তাদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

তবে এসব কর্মকাণ্ডকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতা হিসেবে দেখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিলের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়ক এবং জেলার প্রত্যন্ত এলাকার নির্জন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঝেমধ্যে আকস্মিক মিছিল বের করছেন। তবে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে এসব মিছিল দ্রুত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার দাবি, আগামী ডিসেম্বরে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আলোচনা ও ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন সম্ভব না হওয়ায় ভিন্ন আঙ্গিকে সাংগঠনিক যোগাযোগ ধরে রাখার চেষ্টা চলছে বলেও তারা জানান।

আত্মগোপনে নেতারা, সংকটে পরিবার

দলটির শীর্ষ ও প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ এখনো আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় অনেক নেতাকর্মীর পরিবার অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে।

উপার্জনক্ষম ব্যক্তিরা বাড়ির বাইরে থাকায় কিছু পরিবারে দৈনন্দিন খরচ ও ভরণ-পোষণ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। একই সঙ্গে সামাজিক ও পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও তাদের পরিবারের সদস্যদের নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা পাওয়ার দাবি

স্থানীয় সূত্রের দাবি, আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পরিবারের কেউ কেউ সামাজিক বিরোধ ও পারিবারিক সমস্যা সমাধানে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা নিচ্ছেন।

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক সালিশ কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার মতো বিষয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হচ্ছেন তারা। স্থানীয় বিএনপি নেতারাও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এসব বিষয়ে সহযোগিতা করছেন বলে সূত্রের দাবি।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য যেকোনো তৎপরতা ঠেকাতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। দলটির নেতারা নিয়মিত বিক্ষোভ মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সভা-মিছিল করার অধিকার নেই। জেলা বিএনপি এ বিষয়ে সোচ্চার রয়েছে। তাদের যেকোনো ধরনের নৈরাজ্য রুখতে জেলা বিএনপি রাজপথে রয়েছে। এ জন্য নিয়মিত বিক্ষোভ-সমাবেশসহ সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পুলিশের

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। জেলার কোথাও নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের প্রকাশ্য বা গোপন সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আইনি সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে কেউ উসকানিমূলক তৎপরতা কিংবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলার প্রতিটি এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মীর সামাজিক কর্মকাণ্ড ও ঝটিকা মিছিলকে ঘিরে টাঙ্গাইলে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়ছে

আপডেট সময় : ১১:৩০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা বাড়ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর দলটির কিছু নেতাকর্মী প্রকাশ্যে আসার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক ঝটিকা মিছিলের ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে এসব তৎপরতা ঠেকাতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

সামাজিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা

জানা গেছে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে টাঙ্গাইলের দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার পর সম্প্রতি তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হচ্ছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ক্রীড়া সংগঠন এবং পাড়া-মহল্লার সাংস্কৃতিক ফোরামকে কেন্দ্র করে অনেকে যোগাযোগ পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন। সামাজিক উৎসব, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও তাদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

তবে এসব কর্মকাণ্ডকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতা হিসেবে দেখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিলের অভিযোগ

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়ক এবং জেলার প্রত্যন্ত এলাকার নির্জন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঝেমধ্যে আকস্মিক মিছিল বের করছেন। তবে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে এসব মিছিল দ্রুত ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার দাবি, আগামী ডিসেম্বরে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আলোচনা ও ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। সরাসরি রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন সম্ভব না হওয়ায় ভিন্ন আঙ্গিকে সাংগঠনিক যোগাযোগ ধরে রাখার চেষ্টা চলছে বলেও তারা জানান।

আত্মগোপনে নেতারা, সংকটে পরিবার

দলটির শীর্ষ ও প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ এখনো আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় অনেক নেতাকর্মীর পরিবার অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে।

উপার্জনক্ষম ব্যক্তিরা বাড়ির বাইরে থাকায় কিছু পরিবারে দৈনন্দিন খরচ ও ভরণ-পোষণ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। একই সঙ্গে সামাজিক ও পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও তাদের পরিবারের সদস্যদের নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা পাওয়ার দাবি

স্থানীয় সূত্রের দাবি, আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পরিবারের কেউ কেউ সামাজিক বিরোধ ও পারিবারিক সমস্যা সমাধানে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা নিচ্ছেন।

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক সালিশ কিংবা সামাজিক নিরাপত্তার মতো বিষয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হচ্ছেন তারা। স্থানীয় বিএনপি নেতারাও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এসব বিষয়ে সহযোগিতা করছেন বলে সূত্রের দাবি।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য যেকোনো তৎপরতা ঠেকাতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। দলটির নেতারা নিয়মিত বিক্ষোভ মিছিল ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সভা-মিছিল করার অধিকার নেই। জেলা বিএনপি এ বিষয়ে সোচ্চার রয়েছে। তাদের যেকোনো ধরনের নৈরাজ্য রুখতে জেলা বিএনপি রাজপথে রয়েছে। এ জন্য নিয়মিত বিক্ষোভ-সমাবেশসহ সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পুলিশের

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা নস্যাৎ করতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। জেলার কোথাও নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের প্রকাশ্য বা গোপন সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আইনি সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আড়ালে কেউ উসকানিমূলক তৎপরতা কিংবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলার প্রতিটি এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মীর সামাজিক কর্মকাণ্ড ও ঝটিকা মিছিলকে ঘিরে টাঙ্গাইলে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।