রাজশাহীতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন গরুর খামারীরা
- আপডেট সময় : ১১:৫৬:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
- / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন গরুর খামারীরা। নগরীর সবচেয়ে বড়- সিটি হাটেও বেড়েছে পশুর আমদানি। তবে এখনো তেমনটা শুরু হয়নি কেনাবেচা। তবে দু’একদিনের মধ্যেই ক্রেতা-বিক্রেতা ও পাইকারের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করছেন হাট মালিক ও বিক্রেতারা। এদিকে, প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, এবছর জেলার চাহিদা ছাড়িয়ে অতিরিক্ত ১ লাখেরও বেশী কোরবানিযোগ্য পশু ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে।
কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহীর গরুর খামারীরা বিভিন্ন জাতের গরু প্রস্তুত করছেন। এর মধ্যে খামারি আনোয়ার হোসেন আনার ১ হাজার কেজি ওজনের ব্রাহামা জাতের ১টি ও উলবারী জাতের সমপরিমাণ ওজনের গরু পালন করে তাক লাগিয়েছেন। নাম দিয়েছেন “সিমবা” ও “লালু”। সিমবা ও লালু রাজশাহী অঞ্চলের সবচে’ বড় ও আকর্ষণীয় বলে দাবি তার।
এদিকে, ঈদের আর ১০ দিন বাকী থাকলেও দেশের বৃহৎতম পশুহাট হিসেবে পরিচিত- রাজশাহীর সিটি হাটে পশুর পর্যাপ্ত আমদানি হচ্ছে। কিন্তু জমে ওঠেনি কেনাবেচা। এমন অবস্থায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন খামারী ও ব্যাপারীরা। তবে হাটের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে সন্তুষ্ট সবাই।
হাটে আমদানি রয়েছে ছোট-বড় সব ধরনের গরু। ক্রেতারা বলছেন, এবারের হাটে বড় গরুর তুলনায় ছোট গরুর দাম ও চাহিদা বেশী।
সিটিহাটের ইজারাদাররা বলছেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যাপারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, এবছর জেলায় চাহিদার তুলনায় এক লাখেরও বেশি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। ফলে ভারতীয় গরুর উপর নির্ভর করতে হবে না। হাটগুলোতে ‘পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা’ নিশ্চিতেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
দেশেই কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশুর মজুদ থাকায় আর ভারতীয় গরুর প্রয়োজন নেই বলে জানান এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা। তবে পশুখাদ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে হিমশিম অবস্থা তাদের। সরকার এ খাতে ভর্তুকি দিলে পশু উৎপাদনে আরো স্বয়ংসম্পূর্ণতা সম্ভব বলে মনে করেন খামারীরা।


























