০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিনাবিচারে আটক না রাখার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ আটক ব্যক্তিদের দীর্ঘদিন বিনাবিচারে কারাগারে রাখার প্রথা বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকে এখনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই কারাগারে রয়েছেন বলে দাবি করেছে এইচআরডব্লিউ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিনা সরকারের সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের হত্যার অভিযোগে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই অনেককে আটক করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন—অনেক বন্দি বয়স্ক ও অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও জামিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অন্তত ১০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী কারাগারে মারা গেছেন। তাদের বেশির ভাগের বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ ছিল না বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

এইচআরডব্লিউর এশিয়াবিষয়ক পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, এক সরকারের পর আরেক সরকার শত শত বিরোধী নেতাকর্মীকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া আটক রেখেছে। তিনি বলেন, সংস্কারের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দীর্ঘদিন আটক রাখার বিষয়টি বন্ধ করা উচিত।

সংস্থাটি আরও অভিযোগ করেছে, যেসব মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি, সেসব মামলাতেও বারবার জামিন বাতিলের আবেদন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন মামলা দিয়ে জামিনপ্রাপ্তদের কারাগারে রাখার ঘটনাও ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এইচআরডব্লিউ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বিচার শুরুর আগে আটক রাখার সুযোগ থাকলেও তা ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা হওয়া উচিত, নিয়মিত পদ্ধতি নয়। আটক ব্যক্তিদের প্রত্যেকের বিষয় আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে দ্রুত বিচার অথবা মুক্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিনাবিচারে আটক না রাখার আহ্বান এইচআরডব্লিউর

আপডেট সময় : ০১:৫১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ আটক ব্যক্তিদের দীর্ঘদিন বিনাবিচারে কারাগারে রাখার প্রথা বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকে এখনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই কারাগারে রয়েছেন বলে দাবি করেছে এইচআরডব্লিউ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসিনা সরকারের সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের হত্যার অভিযোগে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই অনেককে আটক করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন—অনেক বন্দি বয়স্ক ও অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও জামিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অন্তত ১০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী কারাগারে মারা গেছেন। তাদের বেশির ভাগের বিরুদ্ধেই সুনির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ ছিল না বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

এইচআরডব্লিউর এশিয়াবিষয়ক পরিচালক এলাইন পিয়ারসন বলেন, এক সরকারের পর আরেক সরকার শত শত বিরোধী নেতাকর্মীকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া আটক রেখেছে। তিনি বলেন, সংস্কারের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দীর্ঘদিন আটক রাখার বিষয়টি বন্ধ করা উচিত।

সংস্থাটি আরও অভিযোগ করেছে, যেসব মামলায় পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি, সেসব মামলাতেও বারবার জামিন বাতিলের আবেদন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন মামলা দিয়ে জামিনপ্রাপ্তদের কারাগারে রাখার ঘটনাও ঘটছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এইচআরডব্লিউ বলেছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বিচার শুরুর আগে আটক রাখার সুযোগ থাকলেও তা ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা হওয়া উচিত, নিয়মিত পদ্ধতি নয়। আটক ব্যক্তিদের প্রত্যেকের বিষয় আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজন হলে দ্রুত বিচার অথবা মুক্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।