০৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ে ছাড়িয়ে যায়। এরপর বিমানটি বিমানবন্দরের বাইরে চলে গিয়ে একাধিক যানবাহনে আঘাত করে। একপর্যায়ে এতে আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ব্যাপক ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

পুয়ের্তো রিকো থেকে মিয়ামি যাচ্ছিল বিমানটি

দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি ছিল বোয়িং ৭৬৭-৩০০ মডেলের কার্গো বিমান। এটি ২১ এয়ার পরিচালিত অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের ফ্লাইট ৭৫৯৮ হিসেবে উড়ছিল। বিমানটি পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে মিয়ামির উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।

দুর্ঘটনার পর পাইলট ও কো-পাইলটসহ কয়েকজনকে বিমান ও আশপাশের যানবাহন থেকে উদ্ধারে কাজ করেন উদ্ধারকর্মীরা। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

৬০টির বেশি ইউনিট ঘটনাস্থলে

আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে মিয়ামি-ডেড ফায়ার রেসকিউর ৬০টির বেশি ইউনিট মোতায়েন করা হয়। উদ্ধারকারীরা আগুন নেভানোর পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন থেকে হতাহতদের উদ্ধারে কাজ করেন।

দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ রাখা হয়। এতে বহু ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়। পরে বিমানবন্দরের চারটি রানওয়ের মধ্যে দুটি পুনরায় চালু করা হয় এবং কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ

বিমানটি কেন রানওয়ে ছাড়িয়ে গেল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA) এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB)। তদন্তকারীরা বিমানটির অবতরণের পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখছেন।

অ্যামাজন জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি এবং তদন্তে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

আপডেট সময় : ০১:০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ে ছাড়িয়ে যায়। এরপর বিমানটি বিমানবন্দরের বাইরে চলে গিয়ে একাধিক যানবাহনে আঘাত করে। একপর্যায়ে এতে আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে ব্যাপক ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে।

পুয়ের্তো রিকো থেকে মিয়ামি যাচ্ছিল বিমানটি

দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি ছিল বোয়িং ৭৬৭-৩০০ মডেলের কার্গো বিমান। এটি ২১ এয়ার পরিচালিত অ্যামাজন প্রাইম এয়ারের ফ্লাইট ৭৫৯৮ হিসেবে উড়ছিল। বিমানটি পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে মিয়ামির উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।

দুর্ঘটনার পর পাইলট ও কো-পাইলটসহ কয়েকজনকে বিমান ও আশপাশের যানবাহন থেকে উদ্ধারে কাজ করেন উদ্ধারকর্মীরা। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

৬০টির বেশি ইউনিট ঘটনাস্থলে

আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজে মিয়ামি-ডেড ফায়ার রেসকিউর ৬০টির বেশি ইউনিট মোতায়েন করা হয়। উদ্ধারকারীরা আগুন নেভানোর পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন থেকে হতাহতদের উদ্ধারে কাজ করেন।

দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ রাখা হয়। এতে বহু ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়। পরে বিমানবন্দরের চারটি রানওয়ের মধ্যে দুটি পুনরায় চালু করা হয় এবং কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ

বিমানটি কেন রানওয়ে ছাড়িয়ে গেল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA) এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (NTSB)। তদন্তকারীরা বিমানটির অবতরণের পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখছেন।

অ্যামাজন জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি এবং তদন্তে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে।