০২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বিমান চলাচলে বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি: বিমান বাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। তবে এর পাশাপাশি বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ। তাই উড্ডয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষ জনবল, যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

ফ্লাইট সেফটিতে প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব

বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির অগ্রগতি একদিকে যেমন নতুন সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে তেমনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, উড্ডয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। এর পাশাপাশি প্রয়োজন যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল, কার্যকর নেতৃত্ব এবং দায়িত্বশীল কর্মপরিবেশ।

তার মতে, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে বিমান পরিচালনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত কার্যক্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং দলগত কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ

সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্যে বিমান বাহিনী প্রধান ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রমের সমন্বিত প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন।

বর্তমান সময়ে বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। ফলে নিরাপদ উড্ডয়ন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নও জরুরি। এ ক্ষেত্রে কার্যকর নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা অর্জন বিমান চলাচল খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

অংশ নিচ্ছেন ২০ দেশের প্রতিনিধিরা

তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন সেমিনারে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশের বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

সেমিনারে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থার উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে নিরাপদ উড্ডয়ন নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং সমন্বিত উদ্যোগের সমন্বয় অপরিহার্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিমান চলাচলে বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি: বিমান বাহিনী প্রধান

আপডেট সময় : ১২:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। তবে এর পাশাপাশি বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ। তাই উড্ডয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষ জনবল, যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ ব্যবস্থাপনায় এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

ফ্লাইট সেফটিতে প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের গুরুত্ব

বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির অগ্রগতি একদিকে যেমন নতুন সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে তেমনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, উড্ডয়ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। এর পাশাপাশি প্রয়োজন যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল, কার্যকর নেতৃত্ব এবং দায়িত্বশীল কর্মপরিবেশ।

তার মতে, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে বিমান পরিচালনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত কার্যক্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ এবং দলগত কাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ

সেমিনারের উদ্বোধনী বক্তব্যে বিমান বাহিনী প্রধান ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রমের সমন্বিত প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন।

বর্তমান সময়ে বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। ফলে নিরাপদ উড্ডয়ন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নও জরুরি। এ ক্ষেত্রে কার্যকর নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা অর্জন বিমান চলাচল খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

অংশ নিচ্ছেন ২০ দেশের প্রতিনিধিরা

তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন সেমিনারে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশের বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

সেমিনারে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থার উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের এই সময়ে নিরাপদ উড্ডয়ন নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং সমন্বিত উদ্যোগের সমন্বয় অপরিহার্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।