শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা সংযুক্ত করার দাবি জামায়াত আমিরের
- আপডেট সময় : ০২:০৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা সংযুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে দেশের সব মাদরাসার শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং মাদরাসাগুলোর বিদ্যমান সমস্যার সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ১৪তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব দাবি জানান।
সাধারণ শিক্ষায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার দাবি
অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষার চর্চার সুযোগ থাকা উচিত।
তিনি দেশের সব মাদরাসার মানোন্নয়নেরও দাবি জানান। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার পরিবেশ, পাঠ্যক্রম এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
মাদরাসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, কৌশলে মাদরাসাগুলোকে স্কুলে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। সরকারি আলিয়া মাদরাসাগুলোর পরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানে একধরনের ভুতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে এবং পাঠ্যক্রমের পরিধি সংকুচিত করা হয়েছে।
তবে তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য অনুষ্ঠানে পাওয়া গেছে কি না, তা প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি।
নারী শিক্ষার্থীদের হাফেজ হওয়াকে ইতিবাচক বললেন
অনুষ্ঠানে কোরআন হিফজের ক্ষেত্রে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও তুলে ধরেন ডা. শফিকুর রহমান। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও পবিত্র কোরআনের হাফেজ হচ্ছেন—এটিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, কোরআন হিফজের এই চর্চা অব্যাহত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কোরআনের শিক্ষা জীবনে ধারণ করা এবং নিয়মিত অনুশীলনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
পুরস্কৃত ১ হাজার ৭৫৭ হাফেজ ও তাঁদের অভিভাবক
১৪তম হিফজুল কোরআন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মোট ১ হাজার ৭৫৭ জন কোরআনে হাফেজ ও তাঁদের বাবা-মাকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা কোরআনের আলোকে জীবন পরিচালনা এবং নিয়মিত কোরআন চর্চার শপথ নেন। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কোরআন হিফজের পাশাপাশি এর শিক্ষা ও মূল্যবোধ দৈনন্দিন জীবনে অনুসরণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।




















