০৬:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৬০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পর্যটন এবং মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউ রশীদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং পর্যটনের মতো সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হলে উভয় দেশই উপকৃত হতে পারে।

এ সময় মালদ্বীপের হাইকমিশনার দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন। রাষ্ট্রপতি এ জন্য হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের প্রতিও শুভেচ্ছা জানান।

ঢাকায় বিজনেস সামিট আয়োজনের উদ্যোগ

সাক্ষাৎকালে ঢাকায় একটি বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার কথা রাষ্ট্রপতিকে জানান মালদ্বীপের হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি, বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণেও এ উদ্যোগ সহায়ক হবে।

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে যোগাযোগ বাড়লে দুই দেশের বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে যৌথ বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদান

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে কর্মরত এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশির অবদানের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে জনশক্তি, পর্যটন, মৎস্য এবং মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা যেতে পারে।

মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশটির বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছেন। ফলে শ্রমবাজারে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং জনশক্তি খাতকে আরও কার্যকর করার বিষয়টিও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া পর্যটন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। একইভাবে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসাশিক্ষার সুযোগ

বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি জানান, এ ক্ষেত্রে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতে পারে। বিশেষ করে চিকিৎসাশিক্ষার ক্ষেত্রে এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়বে।

সার্ক পুনরুজ্জীবনে মালদ্বীপের সহযোগিতা কামনা

আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা—সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও কার্যকর ও জোরদার করতে আগ্রহী।

এ লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের সহযোগিতা এবং ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে আঞ্চলিক উদ্যোগগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিভিন্ন খাতে মালদ্বীপের সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট সময় : ০৫:০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, পর্যটন এবং মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউ রশীদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্ব

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং পর্যটনের মতো সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হলে উভয় দেশই উপকৃত হতে পারে।

এ সময় মালদ্বীপের হাইকমিশনার দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন। রাষ্ট্রপতি এ জন্য হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের প্রতিও শুভেচ্ছা জানান।

ঢাকায় বিজনেস সামিট আয়োজনের উদ্যোগ

সাক্ষাৎকালে ঢাকায় একটি বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার কথা রাষ্ট্রপতিকে জানান মালদ্বীপের হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি, বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত করা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণেও এ উদ্যোগ সহায়ক হবে।

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে যোগাযোগ বাড়লে দুই দেশের বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে যৌথ বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদান

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে কর্মরত এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশির অবদানের কথা তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে জনশক্তি, পর্যটন, মৎস্য এবং মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা যেতে পারে।

মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশিরা দেশটির বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছেন। ফলে শ্রমবাজারে সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং জনশক্তি খাতকে আরও কার্যকর করার বিষয়টিও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া পর্যটন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। একইভাবে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের জন্য চিকিৎসাশিক্ষার সুযোগ

বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি জানান, এ ক্ষেত্রে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করতে পারে। বিশেষ করে চিকিৎসাশিক্ষার ক্ষেত্রে এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে দুই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়বে।

সার্ক পুনরুজ্জীবনে মালদ্বীপের সহযোগিতা কামনা

আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা—সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও কার্যকর ও জোরদার করতে আগ্রহী।

এ লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের সহযোগিতা এবং ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে আঞ্চলিক উদ্যোগগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।