পানি সেচ, শ্রমিক খরচ ও সারের বাড়তি দরে লোকসানে লেবু চাষী
- আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল ২০২২
- / ১৭৩৬ বার পড়া হয়েছে
মহামারী করোনার পর থেকে সর্বত্র বেড়েছে লেবুর ব্যবহার। একইসঙ্গে বেড়েছে লেবু চাষও। পিছিয়ে নেই মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার কৃষকও। বিস্তীর্ণ জমিতে চাষ হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির লেবু। তবে এবার অতি খরায় লেবুর ফলন কম হওয়ায় লোকসানের মুখে চাষীরা। গতবারের চেয়ে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে কৃষক।
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া ইউনিয়নের বাছট, বৈলতুলা, শেখরী নগর গ্রামসহ বরাইদ ও দিঘুলিয়া ইউনিয়নে ১০৫ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হয়েছে। চাষের উপযোগী জমি ও ভাল দাম পাওয়ায় দিন দিন লেবুর চাষ বাড়ছে। এবার বাধ সেধেছে খরা। ফলে এ বছর লেবুর ফলন অর্ধেকে নেমে এসেছে। পানি সেচ, শ্রমিক খরচ ও সারের বাড়তি দরে লোকসানে মুখে পড়েছে এ উপজেলার লেবু চাষী।
সাটুরিয়ার বাছট বৈলতলা গ্রামের গাজীখালি নদীর উপর ব্রীজ না থাকায় উৎপাদন খরচ বাড়ছে বলে জানালেন জনপ্রতিনিধি।
মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার, ইট ভাটায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। এ কারণে প্রতি বছরই কমতে শুরু করেছে লেবুর ফলন। লেবু চাষীদের আরো যত্নবান হতে পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।
এ বছর জেলায় ১৯০ হেক্টর জমিতে লেবুর আবাদ হয়েছে।


























