০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভয়াবহ বন্যায় নেপালের কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত শূন্যে নেমেছে।

‘কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদী অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যার পর বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়। এতে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত দুই প্রকল্প

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন পাওয়া চিলিমে ও ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিলিমে প্রকল্পের উৎপাদনক্ষমতা ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াট। আর ত্রিশূলী প্রকল্পের উৎপাদনক্ষমতা ২৪ মেগাওয়াট।

বন্যার পর গত সপ্তাহ থেকে প্রকল্প দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসব প্রকল্পের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমানে রপ্তানি কার্যত শূন্য। বিকল্প কোনো প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর জন্য ভারতের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

কমেছে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি

বর্ষা মৌসুমে নেপাল সাধারণত প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে। তবে বন্যার পর রপ্তানি কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমেছে।

শুধু চিলিমে ও ত্রিশূলী নয়, বন্যার কারণে মোট ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলো জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

এদিকে, ভারতের অনুমোদন নবায়ন না হওয়ায় আরও তিনটি প্রকল্প থেকে ৭৩ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল।

অবকাঠামো সচলের চেষ্টা

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন অবকাঠামো দ্রুত সচল করতে কাজ করছে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সচল অন্য কোনো প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ভারতের অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

নেপাল বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করে ভারত ও বাংলাদেশে রপ্তানি করে। তবে এবারের বন্যা দেশটির সেই বিদ্যুৎ রপ্তানি ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত তৈরি করেছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

আপডেট সময় : ০১:১৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভয়াবহ বন্যায় নেপালের কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি কার্যত শূন্যে নেমেছে।

‘কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদী অববাহিকায় ভয়াবহ বন্যার পর বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায়। এতে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত দুই প্রকল্প

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন পাওয়া চিলিমে ও ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিলিমে প্রকল্পের উৎপাদনক্ষমতা ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াট। আর ত্রিশূলী প্রকল্পের উৎপাদনক্ষমতা ২৪ মেগাওয়াট।

বন্যার পর গত সপ্তাহ থেকে প্রকল্প দুটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশে এসব প্রকল্পের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী দুটি প্রকল্পই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমানে রপ্তানি কার্যত শূন্য। বিকল্প কোনো প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানোর জন্য ভারতের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

কমেছে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি

বর্ষা মৌসুমে নেপাল সাধারণত প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে। তবে বন্যার পর রপ্তানি কমে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমেছে।

শুধু চিলিমে ও ত্রিশূলী নয়, বন্যার কারণে মোট ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলো জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্থানীয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

এদিকে, ভারতের অনুমোদন নবায়ন না হওয়ায় আরও তিনটি প্রকল্প থেকে ৭৩ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে পারছে না নেপাল।

অবকাঠামো সচলের চেষ্টা

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন অবকাঠামো দ্রুত সচল করতে কাজ করছে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সচল অন্য কোনো প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ভারতের অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

নেপাল বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করে ভারত ও বাংলাদেশে রপ্তানি করে। তবে এবারের বন্যা দেশটির সেই বিদ্যুৎ রপ্তানি ব্যবস্থায় বড় ধরনের ব্যাঘাত তৈরি করেছে।