নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি কমার নেপথ্যে
- আপডেট সময় : ১১:৩৯:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশের নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি কমেছে ৮৩ শতাংশ। একই সময়ে নতুন ঋণের অর্থছাড়ের তুলনায় পুরোনো বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে প্রায় আড়াই গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করেছে বাংলাদেশ।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণের প্রতিশ্রুতিতে পড়তে পারে।
পুরোনো ঋণ পরিশোধে ৪৫ কোটি ডলার
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে আগের নেওয়া বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫ কোটি ৩২ লাখ ডলার। বিপরীতে একই সময়ে বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ১৮ কোটি ২ লাখ ডলার।
অর্থাৎ, জুলাইয়ে নতুন করে বৈদেশিক ঋণের অর্থ পাওয়ার তুলনায় পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে প্রায় আড়াই গুণ বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে।
নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতিও কম
ইআরডির প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, জুলাইয়ে বাংলাদেশ নতুন বৈদেশিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে মাত্র ১ কোটি ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণের তুলনায় এবার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৮৩ শতাংশ।
তবে জুলাইয়ে বৈদেশিক প্রকল্প ঋণ ও অনুদান হিসেবে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৮ কোটি ১ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
ফলে চলতি অর্থবছরের শুরুতেই বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি পুরোনো ঋণের দায় পরিশোধে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের চিত্র সামনে এসেছে। এতে দেশের বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ ও ঋণ পরিশোধের ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।




















