কোরবানির ঈদ ঘিরে শিবচরে বিশাল ষাঁড়ের চমক
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
- / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের রাম-রায়ের কান্দি এলাকার খামারী মিলন মুন্সি।২০১৩ সালে দক্ষিন কোরিয়া থেকে দেশে এসে কি ব্যবসা করবেন তা নিয়ে সংশয়ে ভুগছিলেন। তার বাবা মতিউর রহমান মুন্সির পরামর্শে ১০-১২ লাখ টাকা পুজিঁতে ছোট ছোট ১৫ টি গরু কিনে খামার শুরু করেন।এরপর তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
দিন দিন পরিধি বেড়েছে তার খামারের। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে বড় আকারের ২০ টি ষাঁড় গরু। তার খামারে রয়েছে কালো রংয়ের সুবিশাল দেহী একটি ষাড় গরু। গরুটির ওজন প্রায় ১৫ মন। তিনি ষাড়টি ৬ লাখ টাকা দাম চাচ্ছেন। প্রতিনিয়ত ষাড়টি দেখতে অনেকে আসলেও এখনো কেউ দাম করেনি।
তিনি খামারের প্রতিটি গরুকে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করার চেষ্টা করছেন। তবে কোনো ক্ষতিকর ইনজেকশন বা স্টেরয়েড নয়, বরং খড়, খৈল, ভুষি, গুড়ের চিটা, চাল-ডালের গুঁড়ো এবং নিজেদের জমিতে উৎপাদিত নেপিয়ার ঘাসই গরুর প্রধান খাদ্য। তবে গো খাদ্যের মূল্য দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভ নিয়ে চিন্তিত তিনি।
শুধু মিলন মুন্সি নয় , গত বছরের তুলনায় এ বছর খৈল ও ভুষির দাম কয়েক গুন বৃদ্ধির কারনে জেলার প্রতিটি খামারীর কপালেই দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ। একটি গরু ছয় থেকে সাত মাস লালন-পালনে ব্যয় হচ্ছে লক্ষ টাকারও বেশি। কোরবানির হাটে যদি ন্যায্যমূল্য না মেলে, তাহলে লোকসানের মুখে পড়তে হবে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে স্থানীয় খামারিরা আরও বড় সংকটে পড়বেন বলেও দাবি তাদের।
সট: মিলন মুন্সি, খামারি।
দেশীয় খামারিরা অনেক কষ্ট করে গরু পালন করছেন। ন্যায্য মূল্য না পেলে খামারিরা লোকসানে পড়বেন বলেও জানান এলাকাবাসী।
আর প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা কোরবানির ঈদ সামনে রেখে জেলার খামারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। সট: ড. মোহাম্মদ আছির উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা, মাদারীপুর।
পে অফঃ এ বছর মাদারীপুরে বিভিন্ন খামারে প্রায় ৬৬ হাজার গরু, ১৬৫টি মহিষ, ২৪৬ টি ভেড়া এবং ৩৮ লাখের মত ছাগল কোরবানীর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।


























