কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে একা আনা ‘গভীর ষড়যন্ত্র’
- আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৬৭ বার পড়া হয়েছে
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগার থেকে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে একা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়ার ঘটনাকে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী নাজনীন নাহার। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন আইনজীবী নাজনীন নাহার।
তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে শুধু একটি গাড়ি বা প্রিজনভ্যানে করে আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। অন্য বন্দিদের সঙ্গে না এনে এভাবে একা আনা-নেওয়ার বিষয়টি তিনি ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ হিসেবে দেখছেন।
নাজনীন নাহার বলেন, জিয়াউল আহসানকে যেন একা একটি গাড়িতে না এনে অন্যান্য বন্দির সঙ্গে আনা-নেওয়া করা হয়, সে জন্য ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো আদেশ পাওয়া যায়নি।
‘জিয়াউলকে টার্গেট করা হয়েছে’
জিয়াউল আহসানের আইনজীবী আরও বলেন, কখনো কখনো কোনো আন্দোলন বা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে কাউকে টার্গেট করা হয় এবং কাউকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়। তার দাবি, জিয়াউল আহসানও তেমন একজন। বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে তার নাম যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিদেশি আইনজীবী নিয়োগে আবেদন
জিয়াউল আহসানের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের বিষয়ে নাজনীন নাহার বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ বিষয়ে আবেদন করা হয়েছিল। বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে বার কাউন্সিলের একটি সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। তবে এখন পর্যন্ত বার কাউন্সিল এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।
বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত পাওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালেও আবেদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পরে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছেন আদালত।
জিয়াউল আহসানের মামলায় সাক্ষ্য
আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার মামলাটিতে তৃতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেন মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।
তিনি এ মামলার ১৫তম সাক্ষী। এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনালের সামনে মামলার বিভিন্ন ঘটনা ও তদন্তের বিষয় তুলে ধরেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।




















