ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি প্লাতিনির
- আপডেট সময় : ১১:৫৮:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করেছেন উয়েফার সাবেক সভাপতি ও ফরাসি ফুটবল কিংবদন্তি মিচেল প্লাতিনি।
ফিফার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে সরব হলেন প্লাতিনি। ক্যানালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইনফান্তিনো ফুটবলের নিয়মের রক্ষক হলেও নিজেই সেই নিয়মগুলোকে সম্মান করছেন না।
সম্প্রতি বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার অংশীদারত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ একাধিক ফুটবল সংস্থার তীব্র আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে ফিফা। এর পাশাপাশি বিশ্বকাপ চলাকালীন কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েন ফিফা সভাপতি।
ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে প্লাতিনি বলেন, অর্থনৈতিক বিষয় আলাদা হলেও ফুটবলের নিয়ম রক্ষা করাই ফিফা সভাপতির দায়িত্ব। কিন্তু ইনফান্তিনো সেই দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছেন না।
বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক, ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতি এবং একটি লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্লাতিনি। তার ভাষ্য, বিজ্ঞাপন বিরতি কোনো নিয়মের অংশ নয় এবং ফাইনালে ৩০ মিনিটের বিরতিও প্রচলিত নিয়মের মধ্যে পড়ে না।
ইনফান্তিনোকে উদ্দেশ করে প্লাতিনি বলেন, ‘তিনি রক্ষক (নিয়মের), যেগুলোকে তিনি পাত্তা দেন না, তাকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।’
ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহের অভিযোগও তোলেন প্লাতিনি। তিনি বলেন, উয়েফা যদি ইনফান্তিনোর বিদায় চায়, তাহলে আদালতের মাধ্যমেই বিষয়টি এগিয়ে নিতে হবে। তার দাবি, ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন তদন্তও চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে দুর্নীতির অভিযোগে প্লাতিনি অভিযুক্ত হন। তখন তিনি উয়েফার সভাপতি ছিলেন এবং সেপ ব্লাটারের পর ফিফার সভাপতি হওয়ার দৌড়ে ছিলেন। ব্লাটারের কাছ থেকে প্লাতিনিকে অবৈধভাবে ২০ লাখ ডলার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। পরে প্লাতিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সেই সুযোগে ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হন ইনফান্তিনো।
প্লাতিনির দাবি, ইনফান্তিনো তাকে সরিয়ে দেননি; বরং তার পদত্যাগের পরিস্থিতি থেকে লাভবান হয়েছেন। এখন ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিভিন্ন তদন্তের ফল কী হয়, সেটিই দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।




















