আবুল কালাম আযাদের আপিল গ্রহণ হবে কি না, শুনানি অবকাশের পর
- আপডেট সময় : ১২:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে শুনানি হবে অবকাশকালীন ছুটির পর।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ শুনানির জন্য এ সময় নির্ধারণ করেন। একই সঙ্গে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য না করতে চিফ প্রসিকিউটরকে সতর্ক করেছেন আপিল বিভাগ।
অবকাশের পর শুনানি
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল বিভাগে অবকাশকালীন ছুটি থাকবে। আদালত খোলার পর আরও চার সপ্তাহের মধ্যে আবুল কালাম আযাদের আপিলের শুনানি হবে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আপিলে আবুল কালাম আযাদ বিলম্ব মার্জনার আবেদন করেছেন। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ড
পলাতক থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিই ছিল প্রথম রায়।
বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলামবিষয়ক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবুল কালাম আযাদ পরিচিতি পান।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।
দীর্ঘদিন পর আত্মসমর্পণ
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন আবুল কালাম আযাদ।
আত্মসমর্পণ করে আপিল করার শর্তে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ বিষয়ে ২২ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এরপর আবুল কালাম আযাদ আত্মসমর্পণ করে আপিলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহের আবেদন করেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জন্য প্রয়োজনীয় নথি সরবরাহের নির্দেশ দেন।
পরে তিনি মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। এখন সেই আপিল গ্রহণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে মামলাটি।





















