আফগানিস্তানের সাথে ১০০ রান কম করার আক্ষেপ হৃদয়ের
- আপডেট সময় : ০৩:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪০ বার পড়া হয়েছে
আফগানিস্তানের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে অনূর্ধ্ব-১৯/ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর ৭ উইকেটের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে তাওহীদ হৃদয়ের দলকে। ম্যাচ শেষে নিজেদের এই ব্যর্থতার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাঁর মতে, শারজার ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে অন্তত ১০০ রান কম করেছে দল।
ব্যাটিং বিপর্যয় ও একই ভুলের পুনরাবৃত্তি
বুধবারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে আফগানিস্তান ৩৫.৩ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছিল টাইগাররা। ফলে টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ থেকে বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলীয় সংগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাওহীদ হৃদয় বলেন,
“না, সত্যি বলতে আমরা ১০০ রান কম করেছি। উইকেটটি ব্যাটিংয়ের জন্য খুব ভালো ছিল। দিন শেষে আমরা বারবার একই ভুল করছি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে শুরুতেই দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছি, যা আমাদের হারের মূল কারণ।”
টপ অর্ডারের ধস ও ইমনের একাকী লড়াই
ম্যাচের শুরুতেই আফগান বোলারদের তোপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে দল:
-
তানজিদ হাসান তামিম: ১ রান
-
সৌম্য সরকার: ০ রান
-
তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক): ০ রান
-
নাজমুল হোসেন শান্ত: ১৫ রান
পরবর্তীতে পারভেজ হোসেন ইমনের লড়াকু ৭০ রান এবং সাইফ হাসানের ৪১ রানের ওপর ভর করে দেড়শ রানের কোটা পার করে বাংলাদেশ। তবে শেষ দিকে রশিদ খানের দুর্দান্ত স্পিনের সামনে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় দল।
ভবিষ্যতের শিক্ষা ও ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা
ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনা কিংবা মেহেদী হাসান মিরাজকে ওপরে খেলানো প্রসঙ্গে হৃদয় জানান, এটি নিয়ে দলগতভাবে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, টপ অর্ডার ব্যাটারদের দায়িত্ব নিয়ে রান করতে হবে।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে এই সিরিজ থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি বলেন, “ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও আমাদের অনেক জায়গায় উন্নতি করার রয়েছে। আমাদের হাতে এখনও সময় আছে, ভুলগুলো শুধরে আমরা কাজ শুরু করব এবং সামনের দিনে শক্তিশালী হয়ে ঘুরে দাঁড়াব।”
























