মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- আপডেট সময় : ০৩:০১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে নতুন একটি বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ ও মেরিন সেনাদের একটি ইউনিট পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট ওই অঞ্চলে মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মঙ্গলবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ফক্স নিউজ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বাধীন স্ট্রাইক গ্রুপটি নভেম্বরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে পারে। এর মাধ্যমে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ও সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়বে।
মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে মেরিন সেনাদের ইউনিট
এর আগে গত ১ অক্টোবর এক মার্কিন কর্মকর্তা দ্য জেরুজালেম পোস্টকে জানিয়েছিলেন, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং মার্কিন মেরিন সেনাদের একটি ইউনিটকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অভিযান এলাকার আওতায় পাঠানো হবে।
ওই সময় দ্য জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করেছে। এই বহরে রয়েছে ১৩তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট। সমুদ্রপথে অভিযান পরিচালনা, দ্রুত সেনা মোতায়েন এবং বিভিন্ন ধরনের সামরিক কার্যক্রমে এ ধরনের ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছে একাধিক মার্কিন রণতরী
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক বিমানবাহী রণতরী ও নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে। প্রতিবেদনে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা এপ্রিলে ওই অঞ্চলে পৌঁছায়। পাশাপাশি ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন আগস্টে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত হতে সেখানে পৌঁছায় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তবে ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের অভিযান এলাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।
এদিকে, আরব সাগরে মোতায়েন রয়েছে ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপ। এর সঙ্গে রয়েছে ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট এবং ইউএসএস পোর্টল্যান্ড ও ইউএসএস কমস্টক।
আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কী প্রভাব পড়তে পারে
মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক মার্কিন বিমানবাহী রণতরী, যুদ্ধজাহাজ ও মেরিন সেনা মোতায়েনের বিষয়টি অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও দ্রুত অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে নতুন রণতরী পাঠানোর বিষয়ে প্রতিবেদনগুলোতে নির্দিষ্ট কোনো সামরিক অভিযানের ঘোষণা উল্লেখ করা হয়নি।
ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের স্ট্রাইক গ্রুপ নভেম্বরের শেষ নাগাদ পৌঁছালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি আরও সুসংগঠিত হবে। তবে এর ফলে অঞ্চলটির চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে, তা নির্ভর করবে পরবর্তী সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের ওপর।

























