০১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, মাছ-মুরগিতে নেই স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। তবে মাছ ও মুরগির দাম বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আগের অবস্থাতেই রয়েছে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারে চাপ কমেনি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা

বাজারে বর্তমানে এক ডজন সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কমেছে প্রায় ১০ টাকা।

ডিম ব্যবসায়ী মাছুম বলেন, ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম অপরিবর্তিত

মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গত সপ্তাহের মতোই ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও বর্তমানে ২১০ টাকা কেজি।

পাঙাশ-তেলাপিয়াতেও কমছে না চাপ

মাছের বাজারে দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। কিছু মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আবার কোনো কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি মানভেদে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা কেজি। চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি।

মাছ-মাংসের দামে স্বস্তি নেই

রাজধানীর রায়ের বাজারের ক্রেতা মো. মাকসুদুন নবী বলেন, মাছ, মুরগি ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন বাড়তি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাছ বিক্রেতা মহিউদ্দিন বলেন, মাছের দাম প্রতিদিনই ওঠানামা করে। সরবরাহ, ক্রেতার চাহিদা ও আবহাওয়ার ওপর দাম অনেকটা নির্ভর করে।

এদিকে গরুর মাংস আগের মতোই প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে ডিমের দাম কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন না আসায় বাজারে সামগ্রিক স্বস্তি ফেরেনি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, মাছ-মুরগিতে নেই স্বস্তি

আপডেট সময় : ১২:০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর বাজারে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। তবে মাছ ও মুরগির দাম বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আগের অবস্থাতেই রয়েছে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারে চাপ কমেনি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ডজনপ্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা

বাজারে বর্তমানে এক ডজন সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কমেছে প্রায় ১০ টাকা।

ডিম ব্যবসায়ী মাছুম বলেন, ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগির দাম অপরিবর্তিত

মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। গত সপ্তাহের মতোই ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৯০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দামও বর্তমানে ২১০ টাকা কেজি।

পাঙাশ-তেলাপিয়াতেও কমছে না চাপ

মাছের বাজারে দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। কিছু মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আবার কোনো কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

চাষের পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি মানভেদে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শোল মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা কেজি। চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি।

মাছ-মাংসের দামে স্বস্তি নেই

রাজধানীর রায়ের বাজারের ক্রেতা মো. মাকসুদুন নবী বলেন, মাছ, মুরগি ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন বাড়তি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাছ বিক্রেতা মহিউদ্দিন বলেন, মাছের দাম প্রতিদিনই ওঠানামা করে। সরবরাহ, ক্রেতার চাহিদা ও আবহাওয়ার ওপর দাম অনেকটা নির্ভর করে।

এদিকে গরুর মাংস আগের মতোই প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে ডিমের দাম কমলেও মাছ, মুরগি ও মাংসের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন না আসায় বাজারে সামগ্রিক স্বস্তি ফেরেনি।