১৭ বছরের সাম্বার জোড়া গোলে নরউইচকে ৫-০ ব্যবধানে হারাল ম্যানচেস্টার সিটি
- আপডেট সময় : ১২:৫১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
সিনিয়র দলে অভিষেকেই জোড়া গোল করেছেন ১৭ বছর বয়সী ফ্লয়েড সাম্বা। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নরউইচ সিটিকে ৫-০ গোলে হারিয়ে কারাবাও কাপের চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইতিহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আর্লিং হালান্ডকে বিশ্রাম দেয় সিটি। তার জায়গায় মূল স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে নামেন অনূর্ধ্ব-১৮ দল থেকে উঠে আসা সাম্বা। সুযোগ পেয়েই নিজের সামর্থ্যের জানান দেন এই তরুণ।
অভিষেকেই সাম্বার জোড়া গোল
ম্যাচের ২৯ মিনিটে অ্যালানের ক্রস থেকে হেডে সিটির হয়ে প্রথম গোল করেন সাম্বা। এর তিন মিনিট পর আয়ুব বুয়াদ্দির পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রায়ান শেরকি।
বিরতির পর ৪৮ মিনিটে নিজের অভিষেক গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড অ্যালান। এরপর ৫৪ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান সাম্বা। দূরপাল্লার বাঁকানো শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। এতে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটি।
ম্যাচের শেষ দিকে রায়ান ম্যাকাইডু গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় ম্যানচেস্টার সিটির।
ম্যাচসেরার পুরস্কার সাম্বার হাতে
অভিষেকেই দুই গোল করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন সাম্বা। সিটির একাডেমিতে অনূর্ধ্ব-৯ পর্যায় থেকে বেড়ে ওঠা এই তরুণ সাধারণত মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন।
তবে এই ম্যাচে তাকে আক্রমণভাগের কেন্দ্রে ‘নাম্বার নাইন’ ভূমিকায় খেলানো হয়। সেই সিদ্ধান্তের দারুণ প্রতিদান দিয়েছেন তিনি। দুই গোল করে দলকে বড় জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি অভিষেকটিও স্মরণীয় করে রেখেছেন সাম্বা।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে সাম্বা বলেন, এমন একটি অভিষেক ছিল তার স্বপ্ন। সেটি বাস্তবে পরিণত হওয়া তার কাছে ‘পৃথিবীর সেরা অনুভূতি’।
বাবার সামনে স্বপ্নের অভিষেক
সাম্বার জন্য রাতটি আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে পারিবারিক কারণে। তিনি সাবেক প্রিমিয়ার লিগ ও ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার ‘ক্রিস’ সাম্বার ছেলে। গ্যালারিতে বসে ছেলের অভিষেকের জোড়া গোল দেখেছেন তার বাবা।
নরউইচকে হারিয়ে কারাবাও কাপের শিরোপা ধরে রাখার অভিযানও জোরালোভাবে শুরু করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি দলটির টানা ষষ্ঠ জয়।
কারাবাও কাপের চতুর্থ রাউন্ডে আগামী মাসে ইতিহাদ স্টেডিয়ামেই ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।




















