ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় ৫৮টি বিমান অভিযান সৌদির
- আপডেট সময় : ১২:১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ২৪ ঘণ্টায় ৫৮টি বিমান অভিযান চালিয়েছে সৌদি আরব। হুথি সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারী এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইয়াহিয়া সারী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরব ইয়েমেনে ৫৮টি বিমান অভিযান চালিয়েছে।
যেসব এলাকায় অভিযান
হুথিপন্থি টেলিভিশন চ্যানেল আল মাসিরাহ জানিয়েছে, উত্তর ইয়েমেনের সা’দা ও মোনাব্বিহ জেলা এবং আল জৌফ প্রদেশে এসব অভিযান চালানো হয়েছে। এলাকাগুলো হুথি বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় সারুরাহ সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এর জবাবেই সৌদি বিমান অভিযান চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেড়েছে সৌদি-হুথি উত্তেজনা
আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। এরপর হুথিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
হুথিদের তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনে বিমান অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব। রোববার পর্যন্ত ১৩০টির বেশি বিমান অভিযান চালানো হয়েছিল। এর পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৮টি অভিযান চালানোর দাবি করেছে হুথিরা।
এদিকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীও উত্তর ইয়েমেন ও রাজধানী সানা হুথিদের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে অভিযান চালাচ্ছে। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সাম্প্রতিক বিমান অভিযান নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির বিমান অভিযান এখন পর্যন্ত মূলত সম্মুখসারিতে থাকা ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীকে সহায়তার মধ্যেই সীমিত রয়েছে। রাজধানী সানাসহ হুথিদের মূল ক্ষমতাকেন্দ্রগুলোতে এখনো বড় ধরনের হামলা চালানো হয়নি।
২০১৪ সাল থেকে সংঘাত
সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর সংঘাত দীর্ঘদিনের। ২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। পরের বছর হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে।
এরপর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যান। তার সরকারকে ক্ষমতায় ফেরাতে ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
বর্তমানে ইয়েমেনের বড় একটি অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে দেশটির অপর অংশ সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সূত্র: এএফপি





















