কোনো জ্যোতিষী ভাবেনি আ. লীগ এভাবে বিদায় নেবে: ধর্মমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:২০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ এভাবে পালিয়ে বিদায় নেবে, তা পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষী বা গোয়েন্দা সংস্থাও ভাবেনি।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সেন্ট্রাল অডিটোরিয়ামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের বিদায় প্রসঙ্গে যা বললেন ধর্মমন্ত্রী
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে মাত্র কয়েকজন কর্মকর্তা বড় একটি ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। তখন শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবার ও আওয়ামী লীগকে রক্ষায় রক্ষীবাহিনী অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু তারা কোনো প্রতিরোধ করেনি।
তিনি বলেন, ‘আল্লাহ যা চান, তাই হয়।’ মানুষের আল্লাহর ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মহানবীর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে দূত ও রহমত হিসেবে পাঠিয়েছেন। তাঁর জীবনের প্রতিটি দিক মানুষের জন্য আদর্শ।
তিনি বলেন, মহানবীর জীবন ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে ইহকাল ও পরকালে সফলতা অর্জন সম্ভব। কোরআন ও সুন্নাহ আঁকড়ে ধরে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।
অমুসলিমদের নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী।
তিনি বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, শিক্ষকদের জন্যও আদর্শ। সমাজের উপকারে আসে এমন জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী বলেন, একজন অমুসলিম ব্যক্তি যদি কোনো মুসলমানের কাছে নিরাপদ থাকেন, তাহলে সেটি তার উত্তম চরিত্রের পরিচয়। মানুষের পাশাপাশি প্রাণীর প্রতিও দয়া ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
মিলাদুন্নবী নিয়ে উপাচার্যের বক্তব্য
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, মহানবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে মিলাদুন্নবী পালন করা উচিত। এ বিষয়ে বিভিন্ন বিতর্ক থাকলেও তিনি মিলাদুন্নবীর পক্ষে মত দেন।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) প্রতি সোমবার রোজা রাখতেন। কারণ, এ দিনে তাঁর জন্ম হয়েছিল। তাই তাঁর আগমন উপলক্ষে মিলাদুন্নবী পালন করা উচিত।
অনুষ্ঠানে হামদ, নাতে রাসুল ও কেরাত পরিবেশন করা হয়। মহানবীর জীবনীর ওপর রচনা প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়। পরে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


























