গ্যাস সংকট কাটলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
- আপডেট সময় : ১২:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
গ্যাসের সংকট কেটে গেলে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
গ্যাস সংকটেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতি
জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা জানিয়েছেন, গ্যাসের সংকট কেটে গেলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ফলে বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটও কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকাতেও হচ্ছে লোডশেডিং
রাজধানীতে লোডশেডিং প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ঢাকাতেও কিছুটা বিদ্যুৎ সংকট মেনে নিতে হবে। তবে দেশের সবচেয়ে বড় শহর হিসেবে ঢাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে রাজধানী কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে।
তিনি বলেন, ‘ঢাকাকে একেবারে লোডশেডিংমুক্ত রাখব’—এমন ধারণা থেকে সরকার সরে আসছে। এ কারণেই বর্তমানে ঢাকায় কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে।
২০২৩ সালের তুলনায় লোডশেডিং কম
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও দেশে লোডশেডিং ছিল বলে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান। তবে তখন ঢাকায় লোডশেডিং তুলনামূলক কম দেওয়া হতো।
তার ভাষ্য, ঢাকার মানুষের ‘ভয়েস’ ও সামাজিক পুঁজি বেশি থাকায় রাজধানীতে লোডশেডিং না দেওয়ার একটি বিশেষ প্রবণতা তৈরি হয়েছিল।
তিনি জানান, শেখ হাসিনা সরকারের শেষ পূর্ণ বছর ছিল ২০২৩ সাল। ওই বছরের জুন, জুলাই ও আগস্টের গড় লোডশেডিংয়ের সঙ্গে ২০২৬ সালের একই সময়ের তুলনা করা হয়েছে।
জুন-জুলাইয়ে লোডশেডিং কমেছে
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুনে দেশে প্রতিদিন গড়ে ৯৬৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। ২০২৬ সালের জুনে তা কমে দাঁড়ায় ৭৪১ মেগাওয়াটে।
একইভাবে, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে গড়ে ৬১৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তা ছিল ৪৬০ মেগাওয়াট।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জুন ও জুলাইয়ে ২০২৬ সালের লোডশেডিং আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।




















