০৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনে হুথিদের স্থাপনায় একযোগে ১৩টি বিমান অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইয়েমেনের চার জেলায় ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একযোগে ১৩টি বিমান অভিযান চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

যেসব স্থাপনায় হামলা

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় আল-বায়দা প্রদেশের আল-শারিয়াহ, ধি নাইম, আল-বায়দা ও আল সাওয়াদিয়াহ জেলায় এসব অভিযান চালানো হয়। একই সময়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-ধালে প্রদেশেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ লঞ্চার, কমান্ড সেন্টার, সামরিক যানবাহন এবং সমাবেশস্থল লক্ষ্য করা হয়।

সেনাবাহিনীর দাবি, আল-ধালে প্রদেশে হুথিদের একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করা হয়েছে। একই প্রদেশের নাসা পর্বতে থাকা হুথিদের একটি থার্মাল নজরদারি ব্যবস্থাও ধ্বংস করা হয়েছে।

তাইজ ও আল হুদায়দায় সেনাবাহিনীর অগ্রগতি

এর আগে রোববার হুথি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে ইয়েমেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর তাইজ এবং লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর আল হুদায়দার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করে দেশটির সেনাবাহিনী।

ওই সংঘাতে ২০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর এক বছরের মধ্যে ২০১৫ সালে হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যান।

তাকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সাল থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সংঘাতে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে আছে।

বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অংশ প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে। এই সরকার সৌদি আরবের সমর্থন পেয়ে আসছে। ইয়েমেনের সেনাবাহিনীও প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের অনুগত।

ইরানের দুর্বল অবস্থানের সুযোগ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে ইরান বর্তমানে আগের মতো হুথিদের সহায়তা দিতে পারছে না। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে হুথিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা পুনর্দখলের চেষ্টা জোরদার করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

গত জুলাই থেকে এ লক্ষ্যে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইয়েমেনে হুথিদের স্থাপনায় একযোগে ১৩টি বিমান অভিযান

আপডেট সময় : ১২:৫৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের চার জেলায় ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একযোগে ১৩টি বিমান অভিযান চালিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

যেসব স্থাপনায় হামলা

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় আল-বায়দা প্রদেশের আল-শারিয়াহ, ধি নাইম, আল-বায়দা ও আল সাওয়াদিয়াহ জেলায় এসব অভিযান চালানো হয়। একই সময়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-ধালে প্রদেশেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ লঞ্চার, কমান্ড সেন্টার, সামরিক যানবাহন এবং সমাবেশস্থল লক্ষ্য করা হয়।

সেনাবাহিনীর দাবি, আল-ধালে প্রদেশে হুথিদের একটি কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ধ্বংস করা হয়েছে। একই প্রদেশের নাসা পর্বতে থাকা হুথিদের একটি থার্মাল নজরদারি ব্যবস্থাও ধ্বংস করা হয়েছে।

তাইজ ও আল হুদায়দায় সেনাবাহিনীর অগ্রগতি

এর আগে রোববার হুথি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে ইয়েমেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর তাইজ এবং লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর আল হুদায়দার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করে দেশটির সেনাবাহিনী।

ওই সংঘাতে ২০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ

২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এর এক বছরের মধ্যে ২০১৫ সালে হুথি গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করে নেয়। এরপর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মনসুর আবদ-আল হাদি সৌদি আরবে পালিয়ে যান।

তাকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ২০১৫ সাল থেকেই ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সংঘাতে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে আছে।

বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অংশ প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকারের নিয়ন্ত্রণে। এই সরকার সৌদি আরবের সমর্থন পেয়ে আসছে। ইয়েমেনের সেনাবাহিনীও প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের অনুগত।

ইরানের দুর্বল অবস্থানের সুযোগ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে ইরান বর্তমানে আগের মতো হুথিদের সহায়তা দিতে পারছে না। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে হুথিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা পুনর্দখলের চেষ্টা জোরদার করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।

গত জুলাই থেকে এ লক্ষ্যে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি