০৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যুর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। দেশটির একটি ফেডারেল আদালতের রায়ের পর গত ২১ আগস্ট থেকে এই স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর ফলে তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যুতে আগের স্থগিতাদেশ আর থাকছে না। তবে ভিসা পেতে আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সব শর্ত পূরণ করতে হবে।

জানুয়ারিতে স্থগিত করা হয়েছিল ভিসা

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত হয়।

সে সময় মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে তাদের বিষয়ে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন। সেই যাচাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখা হয়েছিল।

আদালতের রায়ে স্থগিতাদেশ বাতিল

এই নীতির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (সিএলআইএনআইসি)। মামলাটি করা হয় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বিরুদ্ধে।

নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল বিচারক জেনেট ভার্গাস মামলাটির রায় দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে অভিবাসী ভিসা আটকে রাখা অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের (আইএনএ) অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।

আদালতের রায়ের পর ২১ আগস্ট থেকে অভিবাসী ভিসা ইস্যুর ওপর স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। পরে ২৮ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি হালনাগাদ করা হয়।

আবেদনকারীদের জন্য যা প্রযোজ্য

স্থগিতাদেশ চলাকালেও আগে থেকে ইস্যু করা ভিসা বাতিল করা হয়নি। একই সময়ে নতুন আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগও ছিল। মূলত ভিসা আবেদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভিসা ইস্যু করার ওপরই স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।

এখন স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা যেতে পারে। তবে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের স্বাভাবিক সব যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করতে হবে।

৭৫ দেশের তালিকায় যারা

বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বারবাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডমিনিকা, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, উরুগুয়ে ও ইয়েমেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসার স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যুর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। দেশটির একটি ফেডারেল আদালতের রায়ের পর গত ২১ আগস্ট থেকে এই স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ২৮ আগস্ট হালনাগাদ করা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর ফলে তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যুতে আগের স্থগিতাদেশ আর থাকছে না। তবে ভিসা পেতে আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত সব শর্ত পূরণ করতে হবে।

জানুয়ারিতে স্থগিত করা হয়েছিল ভিসা

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয় এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথও উন্মুক্ত হয়।

সে সময় মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে তাদের বিষয়ে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন। সেই যাচাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই ভিসা ইস্যু স্থগিত রাখা হয়েছিল।

আদালতের রায়ে স্থগিতাদেশ বাতিল

এই নীতির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (সিএলআইএনআইসি)। মামলাটি করা হয় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বিরুদ্ধে।

নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল বিচারক জেনেট ভার্গাস মামলাটির রায় দেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, শুধু কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাগরিক হওয়ার কারণে অভিবাসী ভিসা আটকে রাখা অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের (আইএনএ) অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে।

আদালতের রায়ের পর ২১ আগস্ট থেকে অভিবাসী ভিসা ইস্যুর ওপর স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। পরে ২৮ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিষয়টি হালনাগাদ করা হয়।

আবেদনকারীদের জন্য যা প্রযোজ্য

স্থগিতাদেশ চলাকালেও আগে থেকে ইস্যু করা ভিসা বাতিল করা হয়নি। একই সময়ে নতুন আবেদন জমা দেওয়া এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার সুযোগও ছিল। মূলত ভিসা আবেদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ভিসা ইস্যু করার ওপরই স্থগিতাদেশটি কার্যকর ছিল।

এখন স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা যেতে পারে। তবে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের স্বাভাবিক সব যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করতে হবে।

৭৫ দেশের তালিকায় যারা

বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বারবাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোত দিভোয়ার, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডমিনিকা, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনিগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উজবেকিস্তান, উরুগুয়ে ও ইয়েমেন।