০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

প্রতারণার মামলায় জেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে পিন্টু দাসকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।

পুলিশের তথ্যমতে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা রাসেল খানের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এর আগে গত ২০ আগস্ট থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান পিন্টু দাস। দীর্ঘ সময় ধরে তার স্বর্ণের দোকান ও বাসা তালাবদ্ধ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিন্টু দাসের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা শুরু করে পুলিশ। একই সঙ্গে মালামাল বহনকারী একটি ট্রাকের চালকের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার দলঘাট দাসপাড়া এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে সেখানে অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাস, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের স্বজনদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে আরও কেউ অভিযোগ করেছেন কি না এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২৫ লাখ টাকার চেয়ে বেশি কি না, সেসব বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

প্রতারণার মামলায় জেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু

আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে পিন্টু দাসকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।

পুলিশের তথ্যমতে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা রাসেল খানের অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এর আগে গত ২০ আগস্ট থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান পিন্টু দাস। দীর্ঘ সময় ধরে তার স্বর্ণের দোকান ও বাসা তালাবদ্ধ থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিন্টু দাসের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা শুরু করে পুলিশ। একই সঙ্গে মালামাল বহনকারী একটি ট্রাকের চালকের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার দলঘাট দাসপাড়া এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে সেখানে অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাস, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাদের স্বজনদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে আরও কেউ অভিযোগ করেছেন কি না এবং প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২৫ লাখ টাকার চেয়ে বেশি কি না, সেসব বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।