০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রতিবেশীদের সতর্ক করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতি আগের চেয়ে ‘ভিন্ন’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তেহরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক পলিসির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত ইরানের এই অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।

প্রতিবেশীদের জন্য ইরানের বার্তা

বারাকাতের মতে, রেজায়ির বক্তব্যকে শুধু সামরিক প্রতিরোধের হুমকি হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। এর মাধ্যমে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোকে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বার্তা দিয়েছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার নতুন দফা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিজেদের অবস্থান ও স্বার্থ বিবেচনা করতে হবে।

ইরানের সঙ্গে স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরের মাধ্যমে যোগাযোগ রয়েছে বেশ কয়েকটি দেশের। এসব দেশের অনেকের সঙ্গেই তেহরানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্যের চেষ্টা

বারাকাতের ভাষ্য, ইরানের কিছু প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির সঙ্গে পুরোপুরি একমত নাও হতে পারে। ফলে তারা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারে।

তার মতে, ইরান একই সময়ে সব দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংঘাতে জড়াতে চায় না। বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধরে রাখাই তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ঝুঁকি

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও নেতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে বলে মনে করেন বারাকাত। তার মতে, নিষেধাজ্ঞার প্রভাব শুধু ইরানের অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইরানের ওপর চাপ তৈরি করতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও ফিরে আসতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। তাই নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য এবং বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থার ওপর তেহরানের নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রতিবেশীদের সতর্ক করল ইরান

আপডেট সময় : ০৩:০৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধ শুরু হলে পরিস্থিতি আগের চেয়ে ‘ভিন্ন’ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তেহরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক পলিসির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত ইরানের এই অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন।

প্রতিবেশীদের জন্য ইরানের বার্তা

বারাকাতের মতে, রেজায়ির বক্তব্যকে শুধু সামরিক প্রতিরোধের হুমকি হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। এর মাধ্যমে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোকে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বার্তা দিয়েছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার নতুন দফা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিজেদের অবস্থান ও স্বার্থ বিবেচনা করতে হবে।

ইরানের সঙ্গে স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরের মাধ্যমে যোগাযোগ রয়েছে বেশ কয়েকটি দেশের। এসব দেশের অনেকের সঙ্গেই তেহরানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্যের চেষ্টা

বারাকাতের ভাষ্য, ইরানের কিছু প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির সঙ্গে পুরোপুরি একমত নাও হতে পারে। ফলে তারা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করতে পারে।

তার মতে, ইরান একই সময়ে সব দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংঘাতে জড়াতে চায় না। বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধরে রাখাই তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ঝুঁকি

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও নেতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে বলে মনে করেন বারাকাত। তার মতে, নিষেধাজ্ঞার প্রভাব শুধু ইরানের অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আঞ্চলিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক পরিস্থিতির উদাহরণ দিয়ে বলেন, ইরানের ওপর চাপ তৈরি করতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও ফিরে আসতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। তাই নতুন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য এবং বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থার ওপর তেহরানের নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে।

সূত্র: আল-জাজিরা