০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ডাবসহ দেশি-বিদেশি সব ফলের দাম বাড়তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে বেড়েছে ডাবসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম। তীব্র গরমে ডাবের চাহিদা বাড়ায় কয়েক দিনের ব্যবধানে এর দামও বেড়েছে। একই সঙ্গে আপেল, নাশপাতি, মাল্টা, কমলা, পেঁপে ও কলাসহ প্রায় সব ধরনের ফলই এখন আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে পুষ্টিকর ফল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১২০, ১৫০ ও ১৯০ টাকায়। বড় আকারের ভালো মানের ডাবের দাম উঠেছে ২২০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে ডাবের দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

বিদেশি ফলের দামও চড়া

তালতলা মার্কেটে সবুজ আপেল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, নাশপাতি ৩০০, মাল্টা ২৮০ এবং কমলা ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রাঙামাটির পাকা পেঁপে ১৫০ টাকা কেজি, টাঙ্গাইলের বড় সাগরকলা ১৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের কলা ১২০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।

ফল বিক্রেতা রুবেল হাসান বলেন, বাজারে ফলের দাম কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে ডাবের চাহিদা বেশি থাকায় ভালো মানের ডাবের দামও বেশি। বিদেশি ফলও আগের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

তার ভাষ্য, বাদামতলীর পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। পাইকারি বাজার থেকে ফল আনার সময় নষ্ট বা নিচের দিকে থাকা কিছু ফল বিক্রি করা যায় না। এর সঙ্গে পরিবহন খরচও যুক্ত হচ্ছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে ফলের দাম বাড়ছে।

একই টাকায় কম ফল কিনছেন ক্রেতারা

বাড়তি দামে ফল কিনতে এসে হিসাব করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তালতলা মার্কেটের ক্রেতা রাকিব বলেন, আগে যে পরিমাণ ফল কিনতেন, এখন একই টাকায় তার চেয়ে কম নিতে হচ্ছে। পছন্দের একটি ভালো ডাব ২০০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন। পরিবারের প্রয়োজন থাকায় কিনতে হচ্ছে, তবে দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণ কমিয়ে দিতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কলার দামও বেড়েছে। ৫০০ টাকা নিয়ে বাজারে এলেও পছন্দমতো বিভিন্ন ফল কেনা যাচ্ছে না।

বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ থাকলেও দাম কমার স্বস্তি নেই। বিশেষ করে তীব্র গরমে ডাবের মতো চাহিদাসম্পন্ন ফলের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় বেড়েছে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত ফল বা ডাব কিনতে হয়—এমন পরিবারগুলোকে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বাজারে ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও ফলের দাম বাড়ায় স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডাবসহ দেশি-বিদেশি সব ফলের দাম বাড়তি

আপডেট সময় : ০২:০৬:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে বেড়েছে ডাবসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম। তীব্র গরমে ডাবের চাহিদা বাড়ায় কয়েক দিনের ব্যবধানে এর দামও বেড়েছে। একই সঙ্গে আপেল, নাশপাতি, মাল্টা, কমলা, পেঁপে ও কলাসহ প্রায় সব ধরনের ফলই এখন আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে পুষ্টিকর ফল কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে প্রতিটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ১২০, ১৫০ ও ১৯০ টাকায়। বড় আকারের ভালো মানের ডাবের দাম উঠেছে ২২০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে ডাবের দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

বিদেশি ফলের দামও চড়া

তালতলা মার্কেটে সবুজ আপেল প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, নাশপাতি ৩০০, মাল্টা ২৮০ এবং কমলা ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রাঙামাটির পাকা পেঁপে ১৫০ টাকা কেজি, টাঙ্গাইলের বড় সাগরকলা ১৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের কলা ১২০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।

ফল বিক্রেতা রুবেল হাসান বলেন, বাজারে ফলের দাম কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে ডাবের চাহিদা বেশি থাকায় ভালো মানের ডাবের দামও বেশি। বিদেশি ফলও আগের তুলনায় বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

তার ভাষ্য, বাদামতলীর পাইকারি বাজারে দাম বাড়ার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে। পাইকারি বাজার থেকে ফল আনার সময় নষ্ট বা নিচের দিকে থাকা কিছু ফল বিক্রি করা যায় না। এর সঙ্গে পরিবহন খরচও যুক্ত হচ্ছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে ফলের দাম বাড়ছে।

একই টাকায় কম ফল কিনছেন ক্রেতারা

বাড়তি দামে ফল কিনতে এসে হিসাব করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তালতলা মার্কেটের ক্রেতা রাকিব বলেন, আগে যে পরিমাণ ফল কিনতেন, এখন একই টাকায় তার চেয়ে কম নিতে হচ্ছে। পছন্দের একটি ভালো ডাব ২০০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন। পরিবারের প্রয়োজন থাকায় কিনতে হচ্ছে, তবে দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণ কমিয়ে দিতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কলার দামও বেড়েছে। ৫০০ টাকা নিয়ে বাজারে এলেও পছন্দমতো বিভিন্ন ফল কেনা যাচ্ছে না।

বাজারে দেশি ফলের সরবরাহ থাকলেও দাম কমার স্বস্তি নেই। বিশেষ করে তীব্র গরমে ডাবের মতো চাহিদাসম্পন্ন ফলের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় বেড়েছে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত ফল বা ডাব কিনতে হয়—এমন পরিবারগুলোকে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বাজারে ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও ফলের দাম বাড়ায় স্বস্তিতে নেই ক্রেতারা।