০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রোপা আমনে সারের সংকট, ক্ষুব্ধ কৃষকরা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রোপা আমন মৌসুমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সারের সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। প্রয়োজনের সময়ে সার না পাওয়ায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে বেশি দামে সার কিনছেন। এতে ক্ষোভ বাড়ছে তাদের মধ্যে।

উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের পাগলার হাট এলাকার কৃষক আলী ১২ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। চারা রোপণের ২১ দিনের মধ্যে সার দেওয়ার কথা থাকলেও ২৬ দিন পার হয়ে গেলেও তিনি ডিলার পয়েন্ট থেকে সার পাননি। পরে বেশি দামে খোলা বাজার থেকে সার কিনতে হয়েছে তাকে।

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারদের বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত খোলা না থাকা, ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দে অসামঞ্জস্য এবং গুদাম ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে সার সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক ডিলারের মূল গুদাম সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাইরে হওয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সার পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

কৃষকরা জানান, কাগজে বরাদ্দ থাকলেও প্রয়োজনের সময় বিক্রয়কেন্দ্রে সার মিলছে না। ফলে নির্ধারিত সময়ে জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারায় ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

সম্প্রতি শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজারে সার সংকট নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা এক ডিলারের গুদামের বেড়া ভেঙে ২২৫ বস্তা সার নিয়ে যান। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সার ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এদিকে, বিসিআইসি ডিলারের কাছ থেকে বিএডিসি ডিলারকে সার দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, উপজেলায় মোট সারের ঘাটতি নেই। তবে ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দে ভারসাম্য না থাকায় শিলখুড়ি ইউনিয়নে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আগে ডিলারদের প্রায় সমানভাবে সার দেওয়ায় শিলখুড়ি ইউনিয়নে প্রয়োজনের তুলনায় কম সার পৌঁছাত। এখন অন্য ইউনিয়ন থেকে সার সমন্বয় করে সেখানে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ জানান, সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে কৃষকদের দাবি, শুধু বরাদ্দ সমন্বয় নয়, ইউনিয়ন পর্যায়ে বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত খোলা এবং সুষ্ঠু বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

রোপা আমনে সারের সংকট, ক্ষুব্ধ কৃষকরা

আপডেট সময় : ০১:২৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রোপা আমন মৌসুমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সারের সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। প্রয়োজনের সময়ে সার না পাওয়ায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে বেশি দামে সার কিনছেন। এতে ক্ষোভ বাড়ছে তাদের মধ্যে।

উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের পাগলার হাট এলাকার কৃষক আলী ১২ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। চারা রোপণের ২১ দিনের মধ্যে সার দেওয়ার কথা থাকলেও ২৬ দিন পার হয়ে গেলেও তিনি ডিলার পয়েন্ট থেকে সার পাননি। পরে বেশি দামে খোলা বাজার থেকে সার কিনতে হয়েছে তাকে।

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারদের বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত খোলা না থাকা, ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দে অসামঞ্জস্য এবং গুদাম ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে সার সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক ডিলারের মূল গুদাম সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাইরে হওয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সার পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তারা।

কৃষকরা জানান, কাগজে বরাদ্দ থাকলেও প্রয়োজনের সময় বিক্রয়কেন্দ্রে সার মিলছে না। ফলে নির্ধারিত সময়ে জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারায় ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

সম্প্রতি শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙ্গা বাজারে সার সংকট নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারা এক ডিলারের গুদামের বেড়া ভেঙে ২২৫ বস্তা সার নিয়ে যান। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সার ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এদিকে, বিসিআইসি ডিলারের কাছ থেকে বিএডিসি ডিলারকে সার দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, উপজেলায় মোট সারের ঘাটতি নেই। তবে ইউনিয়নভিত্তিক বরাদ্দে ভারসাম্য না থাকায় শিলখুড়ি ইউনিয়নে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আগে ডিলারদের প্রায় সমানভাবে সার দেওয়ায় শিলখুড়ি ইউনিয়নে প্রয়োজনের তুলনায় কম সার পৌঁছাত। এখন অন্য ইউনিয়ন থেকে সার সমন্বয় করে সেখানে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ জানান, সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে কৃষকদের দাবি, শুধু বরাদ্দ সমন্বয় নয়, ইউনিয়ন পর্যায়ে বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত খোলা এবং সুষ্ঠু বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।