০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ইউজিসির অনুমোদন উপেক্ষা করে নিয়োগ দেওয়ায় ১৭ শিক্ষকের বেতন বন্ধ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:১১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৭০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদিত পদ পরিবর্তন করে ১৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে এসব শিক্ষকের বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ ছাড় করেনি ইউজিসি। কমিশনের সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পদে বেতন-ভাতা পরিশোধ স্থগিত রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইউজিসির বাজেট অ্যাসেসমেন্ট নথি অনুযায়ী, কমিশনের অনুমোদিত পদ পরিবর্তন করে অন্য বিভাগে এবং উচ্চতর পদের বিপরীতে নিম্নতর পদে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইলের সময়ে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

ইউজিসির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এক বিভাগের জন্য অনুমোদিত পদে অন্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ এবং উচ্চতর পদের বিপরীতে নিম্নতর পদে নিয়োগ কমিশনের অনুমোদনের শর্তের ব্যত্যয়। একই সঙ্গে এটিকে আর্থিক ক্ষতির কারণ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।

নথিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি ইউজিসির বাজেট অ্যাসেসমেন্ট দল নোবিপ্রবির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেট পর্যালোচনা করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখায় মোট ২৫টি পর্যবেক্ষণ উঠে আসে। আগেও এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে একাধিকবার জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ইউজিসি বেতন বরাদ্দ না দিলেও মানবিক দিক বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালু রেখেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরী জানান, বিষয়টি নিয়ে ইউজিসি একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিশনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আলোচনা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, বিগত সময়ে হওয়া নিয়োগগুলো যাচাই-বাছাই করতে রিজেন্ট বোর্ডে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে।

তিনি আরও বলেন, বিভাগ পরিবর্তন করে শিক্ষক নিয়োগ শুধু সাম্প্রতিক সময়ে নয়, আগেও হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট সময়ের প্রশাসনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ইউজিসির কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ইউজিসির অনুমোদন উপেক্ষা করে নিয়োগ দেওয়ায় ১৭ শিক্ষকের বেতন বন্ধ

আপডেট সময় : ০২:১১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদিত পদ পরিবর্তন করে ১৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে এসব শিক্ষকের বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ ছাড় করেনি ইউজিসি। কমিশনের সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পদে বেতন-ভাতা পরিশোধ স্থগিত রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইউজিসির বাজেট অ্যাসেসমেন্ট নথি অনুযায়ী, কমিশনের অনুমোদিত পদ পরিবর্তন করে অন্য বিভাগে এবং উচ্চতর পদের বিপরীতে নিম্নতর পদে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইলের সময়ে এসব নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

ইউজিসির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, এক বিভাগের জন্য অনুমোদিত পদে অন্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ এবং উচ্চতর পদের বিপরীতে নিম্নতর পদে নিয়োগ কমিশনের অনুমোদনের শর্তের ব্যত্যয়। একই সঙ্গে এটিকে আর্থিক ক্ষতির কারণ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।

নথিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি ইউজিসির বাজেট অ্যাসেসমেন্ট দল নোবিপ্রবির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মূল বাজেট পর্যালোচনা করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখায় মোট ২৫টি পর্যবেক্ষণ উঠে আসে। আগেও এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে একাধিকবার জানানো হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে ইউজিসি বেতন বরাদ্দ না দিলেও মানবিক দিক বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালু রেখেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোসাইন চৌধুরী জানান, বিষয়টি নিয়ে ইউজিসি একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিশনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আলোচনা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, বিগত সময়ে হওয়া নিয়োগগুলো যাচাই-বাছাই করতে রিজেন্ট বোর্ডে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে।

তিনি আরও বলেন, বিভাগ পরিবর্তন করে শিক্ষক নিয়োগ শুধু সাম্প্রতিক সময়ে নয়, আগেও হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট সময়ের প্রশাসনের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। ইউজিসির কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।