এআই ক্যামেরার আওতায় এসেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক
- আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৯২ বার পড়া হয়েছে
অপরাধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে অত্যাধুনিক বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক এআই ক্যামেরা ও সিসিটিভির নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক। ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে কন্ট্রোল রুম থেকে পুরো মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রযুক্তিভিত্তিক এই কড়া নজরদারির মাধ্যমে মহাসড়ককেন্দ্রিক অপরাধ ও মাদক রোধে ডিজিটাল নজরদারির একটি বড় পদক্ষেপ বলছেন হাইওয়ে পুলিশ

অপরাধ দমন মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ এবং নিরাপদ মহাসড়ক নিশ্চিত করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা ও সিসিটিভি নজরদারি চালু করেছে সরকার।
সাইনবোর্ড থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম সিটি গেইট পর্যন্ত দুই লেনের প্রায় ৫০০ কিলোমিটার সড়কে ১৪২৭ টি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও প্রতি ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার দুরত্বে বিভিন্ন পয়েন্টে ১৬টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করে চলছে সার্বক্ষণিক মনিটরিং।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় মহাসড়কে দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা শুধু ওভার স্পিডের গাড়ি নয় বরং সন্দেহভাজন চোরাচালান ও মাদক কারবারিদের সাথে জড়িত যানবাহনগুলোর তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া মাত্রই গাড়ি গুলোকে আটক করে চ্যাটিং এর আওতায় নিয়ে আসতে সক্ষম হচ্ছে।

এছাড়াও এই প্রযুক্তির মাধ্যমে গাড়ির মেয়াদ উত্তীর্ণ কাগজপত্র বিআরটিএ ডাটাবেজ থেকে সনাক্ত করতে পারবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হবে এসএমএস ও নোটিশ যাবে মালিকের কাছে। সাড়া না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে।
সরকারের এই উদ্যোগে সাধুবাদ জানিয়ে চালকরা বলছেন পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য মহাসড়কেও একই ব্যবস্থা সম্প্রসারণের করলে মাদককাীবারি, মাদক চোরাচালান সহ সকল ক্ষেত্রেই এই ক্যামেরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উন্নত এই নজরদারি ব্যবস্থা হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রমকে আরো দক্ষ করবে এবং ডাকাতি, মাদক পরিবহনসহ মহাসড়ককেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমনটাই বলছেন এই কর্মকর্তা।মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান হাইওয়ে পুলিশ সুপার কুমিল্লা রিজিওন আধুনিক প্রযুক্তি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সবকিছু নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব এমনটাই মনে করছেন সকলে।


























