উত্তরবঙ্গ সবসময় বৈষম্যের শিকার: দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু
- আপডেট সময় : ০৫:১০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
‘উত্তরবঙ্গ সবসময় বৈষম্যের শিকার। এখানে কর্মসংস্থানের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলে ব্যক্তি উদ্যোগে বড় একটি শিল্পকারখানা স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সহযোগিতা না করে বিগত সরকার উদ্যোক্তাকে নির্যাতন করেছে।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের সোমা চা-বাগান ইন্ডাস্ট্রি মাঠে চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু।
মন্ত্রী বলেন, বন্ধ চা শিল্প চালুর পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবনমান ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। চা শিল্পকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপ জন মিত্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান।
মতবিনিময় সভায় চা শ্রমিকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও নিয়মিত বেতন-ভাতা, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তা সরঞ্জাম, বিশুদ্ধ পানি এবং শ্রমিক ও তাদের পরিবারের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি উঠে আসে।
ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান বলেন, বিগত সরকার বিভিন্নভাবে চা শিল্প প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। দ্রুত ইন্ডাস্ট্রিটি চালু করা গেলে একদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলের অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।
সভায় সোমা চা-বাগানের বর্তমান অবস্থা, চা ইন্ডাস্ট্রি চালুর সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। শ্রমিকদের সমস্যা সরাসরি শুনে সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে সোমা এন্ড সোমা টি প্রসেসিং লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী ফেরদৌস আলমসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী, চা শ্রমিক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।




















