০২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

র‍্যাব বদলে হচ্ছে এসআরবি, নতুন মোড়কে পুরোনো বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন নামে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নাম পরিবর্তন হলেও কাঠামো ও ক্ষমতার ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে গঠিত র‍্যাব শুরু থেকেই বিভিন্ন মানবাধিকার অভিযোগের মুখে পড়ে। বিশেষ করে কথিত ক্রসফায়ার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ নানা অভিযোগ নিয়ে দেশ-বিদেশে সমালোচনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাব ও বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞাও দেয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খসড়া আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে এসআরবি। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিট গঠন করা হবে। নির্ধারিত শর্তে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরও এতে যুক্ত করা যেতে পারে। খসড়াটি নিয়ে মতামত নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। এরপর জাতীয় সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে। আইন পাস হলে র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে কার্যক্রম শুরু করবে এসআরবি।

খসড়া আইনে এসআরবির দায়িত্ব হিসেবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, সাইবার অপরাধ দমন, মানবপাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ ও খুনের মতো অপরাধ মোকাবিলার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন ইউনিটকে ফৌজদারি অপরাধের তদন্তের ক্ষমতাও দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, র‍্যাবের কাঠামো ও ক্ষমতা প্রায় একই রেখে শুধু নাম পরিবর্তন করলে মূল সমস্যার সমাধান হবে না।

অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, নাম ও পোশাক পরিবর্তন সমস্যার বাহ্যিক পরিবর্তন মাত্র। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষ হবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

মানবাধিকার সংগঠক নূর খান লিটনও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের এসআরবিতে যুক্ত না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, অতীতে অভিযোগের ক্ষেত্রে অনেক সদস্যকে নিজ বাহিনীতে ফিরিয়ে দেওয়ার নজির ছিল।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

র‍্যাব বদলে হচ্ছে এসআরবি, নতুন মোড়কে পুরোনো বিতর্ক

আপডেট সময় : ১২:৩৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন নামে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নাম পরিবর্তন হলেও কাঠামো ও ক্ষমতার ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তন নেই।

২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে গঠিত র‍্যাব শুরু থেকেই বিভিন্ন মানবাধিকার অভিযোগের মুখে পড়ে। বিশেষ করে কথিত ক্রসফায়ার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ নানা অভিযোগ নিয়ে দেশ-বিদেশে সমালোচনা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাব ও বাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞাও দেয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত খসড়া আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে এসআরবি। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিট গঠন করা হবে। নির্ধারিত শর্তে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদেরও এতে যুক্ত করা যেতে পারে। খসড়াটি নিয়ে মতামত নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। এরপর জাতীয় সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে। আইন পাস হলে র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে নতুন নামে কার্যক্রম শুরু করবে এসআরবি।

খসড়া আইনে এসআরবির দায়িত্ব হিসেবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদকবিরোধী অভিযান, সাইবার অপরাধ দমন, মানবপাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, অপহরণ ও খুনের মতো অপরাধ মোকাবিলার কথা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন ইউনিটকে ফৌজদারি অপরাধের তদন্তের ক্ষমতাও দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, র‍্যাবের কাঠামো ও ক্ষমতা প্রায় একই রেখে শুধু নাম পরিবর্তন করলে মূল সমস্যার সমাধান হবে না।

অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, নাম ও পোশাক পরিবর্তন সমস্যার বাহ্যিক পরিবর্তন মাত্র। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তদন্ত প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষ হবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

মানবাধিকার সংগঠক নূর খান লিটনও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের এসআরবিতে যুক্ত না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তার মতে, অতীতে অভিযোগের ক্ষেত্রে অনেক সদস্যকে নিজ বাহিনীতে ফিরিয়ে দেওয়ার নজির ছিল।