০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজানের ঢলে শেরপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি

মহিউদ্দিন সোহেল, শেরপুর :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬০২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

টানা বৃষ্টি এবং ভারতের মেঘালয় অঞ্চলের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকে শেরপুরের পাহাড়ি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শুরু হয়। গত রাতের শেষ ভাগ থেকে বৃষ্টিপাত আরও বেড়ে যাওয়ায় নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে উজানের পানি নেমে এসে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়িয়েছে। এর মধ্যে একটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে এবং অন্যান্য নদীর পানিও ক্রমাগত বাড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য নদীর পানিও বাড়তে দেখা গেছে।

ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে সকালে বিপদসীমার ৩৭৭ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বিকেলে তা বেড়ে বিপদসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ভোগাই নদীর পানি সকালে বিপদসীমার ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যার দিকে তা বেড়ে বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছেছে।

চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে ভাঙন এবং বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, ‘উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে শেরপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত ইতোমধ্যে কিছুটা কমেছে। মেঘালয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে গেলে এখানকার পানিও দ্রুত নেমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ৭২ ঘণ্টার একটি সতর্কতা ছিল, যা আজ শেষ হতে যাচ্ছে। নতুন করে বন্যার কোনো সতর্কতা নেই। শেরপুরে পানি দ্রুত নামার প্রবণতা রয়েছে, সাধারণত ১-২ ঘণ্টার মধ্যেই পানি কমতে শুরু করে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শেরপুর পয়েন্টে ৮.৫০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪২ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁও পয়েন্টে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি, শেরপুরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, বৃষ্টির কারণে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ফসলের ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে।

তিনি বলেন, আজ ছুটির দিন হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগামীকাল এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে জেলায় প্রায় ১৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে।

এখন পযন্ত সব কিছু স্বাভাবিক হয়েছে বন্যার কোন সম্ভাবনা নেই

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজানের ঢলে শেরপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

 

টানা বৃষ্টি এবং ভারতের মেঘালয় অঞ্চলের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল থেকে শেরপুরের পাহাড়ি সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল শুরু হয়। গত রাতের শেষ ভাগ থেকে বৃষ্টিপাত আরও বেড়ে যাওয়ায় নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে উজানের পানি নেমে এসে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়িয়েছে। এর মধ্যে একটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে এবং অন্যান্য নদীর পানিও ক্রমাগত বাড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার তথ্য অনুযায়ী, চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া জেলার অন্যান্য নদীর পানিও বাড়তে দেখা গেছে।

ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে সকালে বিপদসীমার ৩৭৭ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বিকেলে তা বেড়ে বিপদসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একইভাবে নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ভোগাই নদীর পানি সকালে বিপদসীমার ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও সন্ধ্যার দিকে তা বেড়ে বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার নিচে পৌঁছেছে।

চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদীতীরবর্তী এলাকাগুলোতে ভাঙন এবং বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, ‘উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে শেরপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত ইতোমধ্যে কিছুটা কমেছে। মেঘালয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে গেলে এখানকার পানিও দ্রুত নেমে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ৭২ ঘণ্টার একটি সতর্কতা ছিল, যা আজ শেষ হতে যাচ্ছে। নতুন করে বন্যার কোনো সতর্কতা নেই। শেরপুরে পানি দ্রুত নামার প্রবণতা রয়েছে, সাধারণত ১-২ ঘণ্টার মধ্যেই পানি কমতে শুরু করে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় শেরপুর পয়েন্টে ৮.৫০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪২ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁও পয়েন্টে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি, শেরপুরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, বৃষ্টির কারণে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ফসলের ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে।

তিনি বলেন, আজ ছুটির দিন হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগামীকাল এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে জেলায় প্রায় ১৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে।

এখন পযন্ত সব কিছু স্বাভাবিক হয়েছে বন্যার কোন সম্ভাবনা নেই