কুমিল্লা জেলার ৫টি উপজেলায় পান উংপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা।
- আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৯৩ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা জেলার ৫টি উপজেলায় পান উংপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। প্রায় শত বছর ধরে এই গ্রামে পানের চাষ করে আসছেন স্থানীয়রা। দেশের গন্ডি পার হয়ে বিদেশেও রপ্তানী হচ্ছে এই এলাকার পান।
তবে সরকারের আন্তরিকতার অভাবে অনেকেই সরে যাচ্ছেন এই পেশা থেকে। সম্ভাবনাময় এই ফসল জেনে বুঝে প্রশিক্ষণ নিয়ে চাষ করলে রপ্তানী আরও বাড়বে বলে জানায় কৃষি কর্মকর্তা।
কুমিল্লার চান্দিনা, দেবিদ্বার, বরুড়া, বুড়িচং ও মুরাদনগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঢুকতেই চোখে পড়বে সারি সারি পানের বরজ। বরজে কাজ করছেন চাষি ও শ্রমিক। মাচায় ঝুলছে সবুজ পান। বাণিজ্যিক ভাবে এ চাষ চলছে প্রায় শত বছর ধরে। অনেকে বাপ-দাদার হাত ধরেই যুক্ত হয়েছেন এ চাষে। বেশীর ভাগ কৃষক বংশ পরম্পরায় পৈত্রিকভাবেই এসেছেন পান চাষে।
জানাযায়, এসব গ্রামে প্রায় শতাধিক চাষি পান চাষে জড়িত। কুমিল্লায় চাষ হওয়া মহালক্ষী, চাইলতা গোটা, গোয়াপুর জাতের দেশীয় এ পান বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ হলেও উৎপাদিত সমস্ত পান মূলত স্থানীয় ও অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মিটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে কুমিল্লার দেবিদ্বার, মুরাদনগর, চান্দিনা, বরুড়াসহ জেলায় ১১৬ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ হয়েছে। পোকামাকড় কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি না হলে শতক প্রতি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী অন্তত ৫৮ কোটি টাকার পানের বাজার রয়েছে কুমিল্লায়।
এদিকে পান চাষিরা বলছেন সার, কীটনাশকের দাম বাড়ার পাশাপাশি শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই এ পেশা থেকে সরে যাচ্ছেন। অনেকে আবার বাপ-দাদার এ পেশাকে আকড়ে ধরে রেখেছেন।তবে বর্তমানে সরকরের আন্তরিকতার অভাবে পান চাষে অনিহা জন্মাচ্ছে কৃষকদের মাঝে।
এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক
আইয়ুব মাহমুদ জানায়, উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে পানের আবাদ করা গেলে আন্তর্জাতিক বাজার ধরা সম্ভব সে অনুযায়ী পরামর্শ দেয়া হচ্ছে স্থানীয় চাষীদের।এছাড়াও প্রকল্পের আওতায় এনে কৃষকদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই কর্মকর্তা।
যদি অচিরে সরকার কোন ধরনের প্রদক্ষেপ না নেয় তবে পান চাষে বিরুপ প্রভাব পরবে বলে জানিয়েছে সম্পৃক্তরা।


























