সিলেটে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কৃষির জন্য আশির্বাদ
- আপডেট সময় : ১২:১৪:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৬২ বার পড়া হয়েছে
সিলেটের কৃষিতে আশীর্বাদ হয়ে আসছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন- বিএডিসি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের খালখনন প্রকল্প। বিভাগজুড়ে প্রায় পৌনে আটশ’ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে এই দুই সংস্থা। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা দূর হওয়ার পাশাপাশি সেচের আওতায় আসবে হাজার হাজার হেক্টর অনাবাদি জমি। এতে বেড়ে যাবে ফসল উৎপাদন।
সিলেটের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি আর হাওর অঞ্চলের কৃষকদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ- কখনো অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, আবার কখনো অনাবৃষ্টিতে সেচের অভাব। কৃষকদের এই দুঃখ ঘোচাতে এবার কাজ শুরু করেছে বিএডিসি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় কৃষকরা।
ইতোমধ্যেই বিএডিসি সিলেট বিভাগে ৩২৫ কিলোমিটার খাল সংস্কার ও পুনখননের কাজ শুরু করেছে। এর মধ্যে ২০৯ কিলোমিটার হবে নিষ্কাশন খাল এবং ১২৫ কিলোমিটার সেচ খাল। এই ১২৫ কিলোমিটার সেচ খালের মাধ্যমে নতুন করে সেচের আওতায় আসবে ৮ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি। আর নিষ্কাশন খালের সুফল পাবে ২২ হাজার ৫০০ হেক্টর এলাকা, যা স্থায়ীভাবে দূর করবে জলাবদ্ধতা। এতে করে বিপুল পরিমাণ জমি আবাদের আওতায় আসবে।
খাল খনন হলে সেখানে চলবে নৌকা, সহজ হবে ধান ও পণ্য পরিবহন। খালের দুই পাড়ে তৈরি হবে চলাচলের রাস্তা, যা গবাদি পশুর যাতায়াতকেও করবে সুগম। এছাড়া দেশীয় প্রজাতির মাছের অভয়াশ্রম হয়ে উঠবে এই খালগুলো।
এদিকে জেলার ১৩টি উপজেলায় খনন উপযোগী যেসব খাল রয়েছে, সেগুলোকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।
অন্যদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেটে আরও ৪৫০ কিলোমিটার খাল পুনখননের পরিকল্পনা নিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এই প্রকল্পের ফলে কৃষি ও মৎস্য সম্পদে আমূল পরিবর্তন আসবে। পানির সংকট কেটে গেলে বাড়বে ধানের উৎপাদন। অনাবাদি জমি আসবে চাষাবাদের আওতায়, সমৃদ্ধি আসবে কৃষকদের জীবনে।


























