জ্বালানি তেল সংকটের প্রভাব পড়েছে অভ্যন্তরীণ নৌপথের লাইটার জাহাজ চলাচলে
- আপডেট সময় : ০৪:২২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৪১ বার পড়া হয়েছে
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল সংকটের প্রভাব পড়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীপথে লাইটার জাহাজ চলাচলেও। চাহিদার বিপরীতে ডিপোগুলো থেকে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছে না লাইটার জাহাজগুলো। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা বড় জাহাজের আমদানি পণ্য পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথ স্থবির হয়ে পড়তে পারে এমন আশংকা সংশ্লিষ্টদের।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরের মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস করে পণ্য পরিবহন করে থাকে লাইটার জাহাজগুলো। দেশের ৫০টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে চলে এসব জাহাজ। এসব জাহাজের জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই জাহাজগুলো রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলো থেকে খুব কম পরিমাণে তেল পাচ্ছেন।
বিডব্লিউটিসিসির হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি লাইটার জাহাজ বুকিং হয়ে থাকে। সেগুলো বড় জাহাজে পণ্য খালাস করতে যাওয়া এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে গড়ে আড়াই লাখ লিটার ডিজেল দরকার হয়। কিন্তু এই চাহিদার বিপরীতে মেরিন ডিলারদের কাছ থেকে ৬০ থেকে ৭০ হাজার লিটার তেল পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বহির্নোঙর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকায় যেতে ও ফিরে আসতে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও পাওয়া যাচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ লিটার।
জ্বালানীর এই সংকটময় মূহুর্তকে মোকাবেলা করতে সরকার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ব্যবসায়ীরা।
বাংলাদেশে বছরে গড়ে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন। চাহিদার ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। বাকি ৮০ শতাংশ জ্বালানি তেল পরিশোধিত অবস্থায় আনা হয় সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়াসহ সাতটি দেশ থেকে।



















