আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনাই আগামী বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
- আপডেট সময় : ০৮:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনাই, আগামী বাজেটের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ডক্টর দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অতিরিক্ত ব্যয় করতে নতুন সরকারের আর্থিক সক্ষমতা সীমিত। বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যও চাপে। বৈশ্বিক অস্থিরতা আগের আর্থিক দুর্বলতাগুলোকে প্রকট করেছে। সেজন্য কঠোর আর্থিক বাজেট করতে হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে নাগরিক প্লাটফর্মের সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। নতুন পে স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে বর্তমান সরকারের নিজস্ব কমিশন গঠন করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেটের জন্য ভাবনা’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাজেট প্রণয়নে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বৈশ্বিক ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পরিস্থিতিতে সরকারকে মধ্য মেয়াদী ও স্বল্পমেয়াদী নীতিতে ভারসাম্য রাখার পরামর্শ দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত খরচের নানা নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরা হয়।
সট: ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সিপিডির সম্মানীয় ফেলো
ভু-রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতা আছে সরকারের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে চীন ও রাশিয়া থেকে আমদানিতে প্রতিবন্ধকতা আছে কিনা তা ভাবতে হচ্ছে। খাদ্যের উৎপাদন খরচ, দাম বাড়লে খাদ্য নিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তেলের দাম, চালের দাম বাড়লে মূল্যস্ফিতি বাড়বে, দারিদ্র্য ও বৈষম্য বাড়বে।
সংশোধিত বাজেট স্বচ্ছতা সাথে প্রকাশ করতে হবে। একইসাথে তিন মাস পরপর সংসদে বাজেট বিষয়ে বিবৃতি দেয়ার পরামর্শও দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে। পাশপাশি নতুন পে স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে সরকারের নিজস্ব কমিশন গঠন করা প্রয়োজন বলে মত দেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টচার্য।




















