০৬:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

২০০ বছর পর গ্রিসের রাজধানীতে প্রথম মসজিদ

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০
  • / ১৬৯৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ২০০ বছর পর গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম মসজিদের উদ্বোধন করা হলো। গত ৬ নভেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে এ মসজিদের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো গ্রিসেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধির মধ্য দিয়ে আপাতত স্বল্পসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতিতে এ মসজিদের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

গ্রিক সরকারের অর্থায়নে নির্মিত মসজিদটি তৈরি করতে আনুমানিক ৮ লাখ ৮৭ হাজার ইউরো খরচ হয়েছে। ২০১৬ সালে চূড়ান্তভাবে এ মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু করা হয় এবং ২০১৭ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। গ্রিসের শিক্ষা ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কোস্তাস গাভ্রোগলু জানিয়েছেন, এ মসজিদে একসঙ্গে ৩৫০ জন নামাজ আদায় করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে এ মসজিদের নাম রাখা হয়েছে ‘ভোতানিকোস মসজিদ’। এথেন্সের হার্টখ্যাত সিনতাগমা স্কয়ার থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে নৌবাহিনীর একটি পরিত্যক্ত ঘাঁটির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে এ মসজিদ।

মূলত তুরস্কের অটোম্যান সাম্রাজ্যের হাত ধরে গ্রিসে ইসলামের বিস্তৃতি ঘটে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেশটিতে প্রায় এক কোটি মানুষ বসবাস করে, যাদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগের মতো মানুষ অর্থোডক্স খ্রিষ্টানিটির অনুসারী। অর্থোডক্স খ্রিষ্টানিটির পর দেশটির সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী, যারা দেশটির মোট জনসংখ্যার দেড় শতাংশের মতো। গ্রিসে বসবাসরত ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষের একটা বড় অংশ তুর্কি ও আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত। এ ছাড়া বেশ কিছুসংখ্যক গ্রিকভাষী মানুষ রয়েছে যারা জন্মগতভাবে মুসলিম।

১৮৩৩ সাল থেকে তদান্তীন হেলেনিক প্রজাতন্ত্রের সরকারের অর্থায়নে এথেন্সে একটি মসজিদ নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন এ অঞ্চলে বসবাস করা ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষেরা। এমনকি ১৮৯০ সালে সরকারিভাবে এথেন্সে মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে দেশটির অতি ডানপন্থী ও রক্ষণশীল রাজনৈতিক জোটগুলোর তীব্র বিরোধিতা, বিভিন্ন ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অর্থোডক্স চার্চগুলোর বাঁধা এবং আর্থিক অনটনের মধ্যে সুদীর্ঘকাল সেখানে মসজিদ নির্মাণের বিষয়টি আলোর মুখ দেখেনি।

মসজিদের পরিচালনা পরিষদের সদস্য হায়দার আশির বলেছেন, “এথেন্সে বসবাসকারী মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আমরা এত দিন ধরে এই মসজিদটির অপেক্ষায় ছিলাম।সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, অবশেষে আমাদের কাছে একটি মসজিদ রয়েছে যা উন্মুক্ত এবং আমরা এখানে নির্দ্বিধায় প্রার্থনা করতে পারি

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে এত দিন পর্যন্ত এথেন্স ছিল একমাত্র রাজধানী শহর যেখানে সরকারিভাবে কোনো মসজিদ ছিল না।

অনলাইন ডেস্ক

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমুহ


Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2309

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2313

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2319

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2323

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2327

Warning: Attempt to read property "post_status" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2331

Warning: Attempt to read property "ID" on null in /home/satv/public_html/wp-admin/includes/template.php on line 2345

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২০০ বছর পর গ্রিসের রাজধানীতে প্রথম মসজিদ

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

প্রায় ২০০ বছর পর গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম মসজিদের উদ্বোধন করা হলো। গত ৬ নভেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের মধ্য দিয়ে এ মসজিদের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো গ্রিসেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধির মধ্য দিয়ে আপাতত স্বল্পসংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতিতে এ মসজিদের কার্যক্রম শুরু করা হয়।

গ্রিক সরকারের অর্থায়নে নির্মিত মসজিদটি তৈরি করতে আনুমানিক ৮ লাখ ৮৭ হাজার ইউরো খরচ হয়েছে। ২০১৬ সালে চূড়ান্তভাবে এ মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু করা হয় এবং ২০১৭ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। গ্রিসের শিক্ষা ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কোস্তাস গাভ্রোগলু জানিয়েছেন, এ মসজিদে একসঙ্গে ৩৫০ জন নামাজ আদায় করতে পারবেন। প্রাথমিকভাবে এ মসজিদের নাম রাখা হয়েছে ‘ভোতানিকোস মসজিদ’। এথেন্সের হার্টখ্যাত সিনতাগমা স্কয়ার থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে নৌবাহিনীর একটি পরিত্যক্ত ঘাঁটির ওপর নির্মাণ করা হয়েছে এ মসজিদ।

মূলত তুরস্কের অটোম্যান সাম্রাজ্যের হাত ধরে গ্রিসে ইসলামের বিস্তৃতি ঘটে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের জনগণনা অনুযায়ী দেশটিতে প্রায় এক কোটি মানুষ বসবাস করে, যাদের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগের মতো মানুষ অর্থোডক্স খ্রিষ্টানিটির অনুসারী। অর্থোডক্স খ্রিষ্টানিটির পর দেশটির সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ ইসলাম ধর্মের অনুসারী, যারা দেশটির মোট জনসংখ্যার দেড় শতাংশের মতো। গ্রিসে বসবাসরত ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষের একটা বড় অংশ তুর্কি ও আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত। এ ছাড়া বেশ কিছুসংখ্যক গ্রিকভাষী মানুষ রয়েছে যারা জন্মগতভাবে মুসলিম।

১৮৩৩ সাল থেকে তদান্তীন হেলেনিক প্রজাতন্ত্রের সরকারের অর্থায়নে এথেন্সে একটি মসজিদ নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন এ অঞ্চলে বসবাস করা ইসলাম ধর্মালম্বী মানুষেরা। এমনকি ১৮৯০ সালে সরকারিভাবে এথেন্সে মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে দেশটির অতি ডানপন্থী ও রক্ষণশীল রাজনৈতিক জোটগুলোর তীব্র বিরোধিতা, বিভিন্ন ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অর্থোডক্স চার্চগুলোর বাঁধা এবং আর্থিক অনটনের মধ্যে সুদীর্ঘকাল সেখানে মসজিদ নির্মাণের বিষয়টি আলোর মুখ দেখেনি।

মসজিদের পরিচালনা পরিষদের সদস্য হায়দার আশির বলেছেন, “এথেন্সে বসবাসকারী মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, আমরা এত দিন ধরে এই মসজিদটির অপেক্ষায় ছিলাম।সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, অবশেষে আমাদের কাছে একটি মসজিদ রয়েছে যা উন্মুক্ত এবং আমরা এখানে নির্দ্বিধায় প্রার্থনা করতে পারি

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর মধ্যে এত দিন পর্যন্ত এথেন্স ছিল একমাত্র রাজধানী শহর যেখানে সরকারিভাবে কোনো মসজিদ ছিল না।

অনলাইন ডেস্ক