০১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

হরমুজ প্রণালী খুলতে ইরানের শর্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মধ্যস্থতাকারীদের তৎপরতার পর হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে একাধিক শর্ত নির্ধারণ করছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, এসব শর্ত পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে আগে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। এরপরই গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তেহরান।

ইরানের প্রধান দাবিগুলো কী

রেজাইয়ের দাবি, হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিক করতে ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসান, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

কূটনৈতিক তৎপরতায় কাতার-ওমানের ভূমিকা

হরমুজ সংকট নিরসনে এরই মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। বৃহস্পতিবার তেহরান সফর করেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জসিম আল থানি। ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

একই ইস্যুতে ইরান ও ওমানের মধ্যেও সমঝোতার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি বিশেষ করিডর তৈরির বিষয়ে দুই দেশ সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, হরমুজ এখনো খোলা

তবে ইরান-ওমান উদ্যোগকে ভিন্নভাবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই সম্ভাব্য সমঝোতার সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালী বর্তমানে খোলা রয়েছে এবং নৌ চলাচলের পথে থাকা মাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে।

অনিশ্চয়তায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ভবিষ্যৎ

মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা চললেও হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের পার্থক্য এখনো স্পষ্ট। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

হরমুজ প্রণালী খুলতে ইরানের শর্ত

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

মধ্যস্থতাকারীদের তৎপরতার পর হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে একাধিক শর্ত নির্ধারণ করছে ইরান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছেন, এসব শর্ত পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে আগে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে। এরপরই গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে তেহরান।

ইরানের প্রধান দাবিগুলো কী

রেজাইয়ের দাবি, হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিক করতে ইরানের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসান, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

কূটনৈতিক তৎপরতায় কাতার-ওমানের ভূমিকা

হরমুজ সংকট নিরসনে এরই মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। বৃহস্পতিবার তেহরান সফর করেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জসিম আল থানি। ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

একই ইস্যুতে ইরান ও ওমানের মধ্যেও সমঝোতার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি বিশেষ করিডর তৈরির বিষয়ে দুই দেশ সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, হরমুজ এখনো খোলা

তবে ইরান-ওমান উদ্যোগকে ভিন্নভাবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই সম্ভাব্য সমঝোতার সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ প্রণালী বর্তমানে খোলা রয়েছে এবং নৌ চলাচলের পথে থাকা মাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে।

অনিশ্চয়তায় গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ভবিষ্যৎ

মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টা চললেও হরমুজ প্রণালী ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের পার্থক্য এখনো স্পষ্ট। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।