০১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার শঙ্কা, তিব্বতে উদ্ধারকাজ স্থগিত চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ধকল কাটতে না কাটতেই নতুন করে আরেকটি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তিব্বত অঞ্চলে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীন।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে নতুন একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে আটকে তৈরি হওয়া হ্রদের সন্ধান পাওয়া গেছে। যেকোনো সময় এটি ভেঙে বড় ধরনের বন্যার সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকি বিবেচনায় আগামী তিন দিন ওই এলাকায় উদ্ধারকাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট বুধবার নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তুষারধসের কারণে ভোতি কোশি নদীর শাখা লেহেন্দে নদীতে একটি ব্যারিয়ার লেক তৈরি হয়েছিল। পরে পানির চাপ বেড়ে সেটি ভেঙে গেলে বিপুল পরিমাণ পানি প্রবেশ করে নদীতে। এর ফলে নেপালের রাসুয়া জেলা এবং তিব্বতের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই বন্যায় দুই অঞ্চলে প্রায় ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন। নিখোঁজদের মধ্যে শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। বন্যার পানির সঙ্গে আসা কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষে বহু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চীনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন পাওয়া ব্যারিয়ার লেকটির অবস্থান আগের ভেঙে যাওয়া হ্রদ থেকে আরও উজানে, তিব্বতের ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সংযোগস্থলে। ধারণা করা হচ্ছে, হ্রদটিতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমে আছে। ইতোমধ্যে পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।

চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে হ্রদটিতে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি জমা হতে পারে। এ কারণে হ্রদের পানির স্তর ও আশপাশের ভৌগোলিক পরিবর্তনের ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য বেইজিং ও চেংদু থেকে বিশেষ দল পাঠিয়েছে চীন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার শঙ্কা, তিব্বতে উদ্ধারকাজ স্থগিত চীনের

আপডেট সময় : ১২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ধকল কাটতে না কাটতেই নতুন করে আরেকটি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তিব্বত অঞ্চলে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চীন।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে নতুন একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে আটকে তৈরি হওয়া হ্রদের সন্ধান পাওয়া গেছে। যেকোনো সময় এটি ভেঙে বড় ধরনের বন্যার সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝুঁকি বিবেচনায় আগামী তিন দিন ওই এলাকায় উদ্ধারকাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট বুধবার নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তুষারধসের কারণে ভোতি কোশি নদীর শাখা লেহেন্দে নদীতে একটি ব্যারিয়ার লেক তৈরি হয়েছিল। পরে পানির চাপ বেড়ে সেটি ভেঙে গেলে বিপুল পরিমাণ পানি প্রবেশ করে নদীতে। এর ফলে নেপালের রাসুয়া জেলা এবং তিব্বতের গিরং এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই বন্যায় দুই অঞ্চলে প্রায় ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন। নিখোঁজদের মধ্যে শত শত বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। বন্যার পানির সঙ্গে আসা কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষে বহু এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চীনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন পাওয়া ব্যারিয়ার লেকটির অবস্থান আগের ভেঙে যাওয়া হ্রদ থেকে আরও উজানে, তিব্বতের ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সংযোগস্থলে। ধারণা করা হচ্ছে, হ্রদটিতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি জমে আছে। ইতোমধ্যে পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।

চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে হ্রদটিতে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি জমা হতে পারে। এ কারণে হ্রদের পানির স্তর ও আশপাশের ভৌগোলিক পরিবর্তনের ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য বেইজিং ও চেংদু থেকে বিশেষ দল পাঠিয়েছে চীন।