০১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সড়কে মন্ত্রীর ভাগিনার রক্তাক্ত মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫২৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে আওয়াল শফিক (৪০) নামে এক স্বাস্থ্য সহকারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করছে পুলিশ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর থেকে আওয়াল শফিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আওয়াল উপজেলার বোয়ালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ফুফাতো বোনের ছেলে।

যেভাবে মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল। দুপুর ১২টার দিকে নিজ মোটরসাইকেলে সেখান থেকে নলুয়া বাজারের দিকে রওনা হন তিনি।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে স্থানীয়রা নলুয়া বাজারের কাছে সড়কের ওপর তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে শনাক্ত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

মোটরসাইকেল অক্ষত, সংঘর্ষের আলামত নেই

যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়ালের মরদেহ দেখেছেন। তার মাথার এক পাশ থেঁতলে যাওয়ার পাশাপাশি গলায় কাটা দাগ ছিল।

এ সময় আওয়ালের মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে পড়ে ছিল এবং সেটি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। আশপাশেও কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের স্পষ্ট আলামত দেখা যায়নি বলে জানান তিনি।

হত্যা মামলা, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা

আওয়ালের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে তার পরিবার। তাদের দাবি, সড়কে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকলেও মোটরসাইকেলটি অক্ষত ছিল। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজহারুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সড়কে মন্ত্রীর ভাগিনার রক্তাক্ত মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা

আপডেট সময় : ১২:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের সখীপুরে আওয়াল শফিক (৪০) নামে এক স্বাস্থ্য সহকারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করছে পুলিশ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর থেকে আওয়াল শফিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আওয়াল উপজেলার বোয়ালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ফুফাতো বোনের ছেলে।

যেভাবে মরদেহ উদ্ধার

পুলিশ ও স্বজনদের ভাষ্য, বুধবার সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল। দুপুর ১২টার দিকে নিজ মোটরসাইকেলে সেখান থেকে নলুয়া বাজারের দিকে রওনা হন তিনি।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে স্থানীয়রা নলুয়া বাজারের কাছে সড়কের ওপর তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে শনাক্ত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

মোটরসাইকেল অক্ষত, সংঘর্ষের আলামত নেই

যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়ালের মরদেহ দেখেছেন। তার মাথার এক পাশ থেঁতলে যাওয়ার পাশাপাশি গলায় কাটা দাগ ছিল।

এ সময় আওয়ালের মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে পড়ে ছিল এবং সেটি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। আশপাশেও কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের স্পষ্ট আলামত দেখা যায়নি বলে জানান তিনি।

হত্যা মামলা, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা

আওয়ালের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে তার পরিবার। তাদের দাবি, সড়কে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকলেও মোটরসাইকেলটি অক্ষত ছিল। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজহারুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।