ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে হেফাজতে নিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ
- আপডেট সময় : ০৪:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার দুপুরে মহাখালী এলাকা থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করা হয়। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
তবে ওই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। একই সঙ্গে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, তা-ও পরিষ্কার করেননি ডিবির এই কর্মকর্তা।
কী কারণে আটক, জানা যায়নি
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তাকে কোনো নির্দিষ্ট মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ছিলেন ইকবাল সোবহান চৌধুরী
ইকবাল সোবহান চৌধুরী দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের একজন। তিনি বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
শেখ হাসিনার সরকারের সময় তিনি সরকারের তথ্য ও গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ভূমিকা রেখেছেন।
বর্তমানে তাকে আটকের ঘটনায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কী কারণে তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, তার আটকের বিষয়ে ডিবির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের কারণ ছাড়া বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। মামলার বিষয়, অভিযোগের ধরন এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।





















