০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ডাক পেলেন আনসেলমিনো

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলে ডাক পেয়েছেন চেলসির তরুণ ডিফেন্ডার অ্যারন আনসেলমিনো। অথচ চলতি মৌসুমে ক্লাবের হয়ে এখনো কোনো ম্যাচ খেলেননি তিনি। ইনজুরি ও একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় মাঠের বাইরেই সময় কাটছে তার। এমন পরিস্থিতিতে লিওনেল স্ক্যালোনির ঘোষিত দলে জায়গা পাওয়া বড় চমক হয়ে এসেছে।

গত মাসে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে জাতীয় দলকে বিদায় জানান লিওনেল মেসি। এরপর থেকেই নতুন অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে আর্জেন্টিনা। মেসি-পরবর্তী সময়ে দল পুনর্গঠনে মনোযোগ দিচ্ছেন কোচ স্ক্যালোনি। একই সঙ্গে তরুণদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসের লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ১৭ নভেম্বর কর্দোবার এস্তাদিও মারিও আলবার্তো কেম্পেসে খেলবে কোস্টারিকার বিপক্ষে।

এই দুই ম্যাচ সামনে রেখে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দল ঘোষণা করেন স্ক্যালোনি। ঘোষিত স্কোয়াডে সবচেয়ে আলোচিত নাম আনসেলমিনো।

কে এই অ্যারন আনসেলমিনো?

২১ বছর বয়সী আনসেলমিনো আর্জেন্টিনার অন্যতম সম্ভাবনাময় ডিফেন্ডার। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। তার দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে ২০২৪ সালে তাকে দলে নেয় ইংলিশ ক্লাব চেলসি।

এর আগে বোকা জুনিয়র্সের হয়ে খেলেছেন এই তরুণ। আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিতে তার পারফরম্যান্স ইউরোপের বড় দলগুলোর নজর কাড়ে। ফলে চেলসি তাকে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করে।

তবে ইংল্যান্ডে গিয়ে প্রত্যাশিত সুযোগ পাননি আনসেলমিনো। বরং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তাকে বিভিন্ন ক্লাবে ধারে পাঠানো হয়।

চেলসির হয়ে মাত্র এক ম্যাচ

চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথমে ধারে বোকা জুনিয়র্সে ফেরেন আনসেলমিনো। এরপর খেলেছেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও স্ট্রাসবুর্গে। দুই ক্লাব মিলিয়ে মাত্র ১৩টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

বিশেষ করে ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলার সময় নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই ডিফেন্ডার। তবে চেলসিতে ফিরে নিয়মিত জায়গা নিশ্চিত করতে পারেননি।

চেলসির মূল দলের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র একবার মাঠে নেমেছেন আনসেলমিনো। সেটি ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপে বেনফিকার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে। ওই ম্যাচে মাত্র দুই মিনিটের মতো খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।

এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ মৌসুমেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। আগস্টে লুটনের বিপক্ষে কারাবাও কাপের ম্যাচে স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে নামা হয়নি তার। পুরো ম্যাচ বেঞ্চেই কাটাতে হয়।

ইনজুরিতে থমকে গেছে ক্যারিয়ার

ক্লাবে সুযোগের অভাবের পাশাপাশি ইনজুরিও ভুগিয়েছে আনসেলমিনোকে। মৌসুমের শুরু থেকেই ঊরুর চোটে রয়েছেন তিনি। ফলে নিয়মিত অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার সুযোগ ব্যাহত হয়েছে।

একজন তরুণ ফুটবলারের উন্নতির জন্য নিয়মিত ম্যাচ খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। কিন্তু আনসেলমিনো এখনো সেই সুযোগ পাননি।

তবে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। স্ক্যালোনির অধীনে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে তার ক্যারিয়ারে নতুন গতি আসতে পারে।

চেলসি থেকে আর্জেন্টিনা দলে আরও দুইজন

আনসেলমিনো ছাড়াও চেলসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও দুই ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে। তাদের একজন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

চোয়ালের হাড় ভাঙার কারণে চেলসির হয়ে সর্বশেষ তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি মার্টিনেজ। তবে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিনি। ফলে আন্তর্জাতিক বিরতির পর তাকে আবার ক্লাবে পাওয়ার আশা করতে পারে কোচ জাবি আলোনসোর দল।

অন্যদিকে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ভ্যালেন্তিন বার্কোও। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চেলসির হয়ে সাতটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনায় নতুনদের পরীক্ষা

লিওনেল মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার সামনে নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গত কয়েক বছরে স্ক্যালোনির অধীনে দলটি একাধিক বড় শিরোপা জিতেছে। বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার সাফল্যে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বও প্রতিষ্ঠা করেছে।

তবে সময়ের সঙ্গে দলের পরিবর্তন জরুরি। তাই নতুন খেলোয়াড়দের পরখ করতে চান স্ক্যালোনি। আনসেলমিনোর অন্তর্ভুক্তিও সেই পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।

অবশ্য জাতীয় দলে ডাক পেলেই মাঠে নামার নিশ্চয়তা নেই। উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে সুযোগ পেলে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে তাকে। আর ভালো করতে পারলে চেলসিতেও নতুন করে আলোচনায় আসতে পারেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

সব মিলিয়ে আনসেলমিনোর সামনে এখন বড় সুযোগ। ক্লাবে অনিয়মিত হলেও জাতীয় দলের হয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে ডাক পেলেন আনসেলমিনো

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলে ডাক পেয়েছেন চেলসির তরুণ ডিফেন্ডার অ্যারন আনসেলমিনো। অথচ চলতি মৌসুমে ক্লাবের হয়ে এখনো কোনো ম্যাচ খেলেননি তিনি। ইনজুরি ও একাদশে সুযোগ না পাওয়ায় মাঠের বাইরেই সময় কাটছে তার। এমন পরিস্থিতিতে লিওনেল স্ক্যালোনির ঘোষিত দলে জায়গা পাওয়া বড় চমক হয়ে এসেছে।

গত মাসে বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে জাতীয় দলকে বিদায় জানান লিওনেল মেসি। এরপর থেকেই নতুন অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে আর্জেন্টিনা। মেসি-পরবর্তী সময়ে দল পুনর্গঠনে মনোযোগ দিচ্ছেন কোচ স্ক্যালোনি। একই সঙ্গে তরুণদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আগামী ১৩ নভেম্বর বুয়েনস এইরেসের লা বোমবোনেরা স্টেডিয়ামে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ১৭ নভেম্বর কর্দোবার এস্তাদিও মারিও আলবার্তো কেম্পেসে খেলবে কোস্টারিকার বিপক্ষে।

এই দুই ম্যাচ সামনে রেখে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দল ঘোষণা করেন স্ক্যালোনি। ঘোষিত স্কোয়াডে সবচেয়ে আলোচিত নাম আনসেলমিনো।

কে এই অ্যারন আনসেলমিনো?

২১ বছর বয়সী আনসেলমিনো আর্জেন্টিনার অন্যতম সম্ভাবনাময় ডিফেন্ডার। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। তার দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে ২০২৪ সালে তাকে দলে নেয় ইংলিশ ক্লাব চেলসি।

এর আগে বোকা জুনিয়র্সের হয়ে খেলেছেন এই তরুণ। আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটিতে তার পারফরম্যান্স ইউরোপের বড় দলগুলোর নজর কাড়ে। ফলে চেলসি তাকে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করে।

তবে ইংল্যান্ডে গিয়ে প্রত্যাশিত সুযোগ পাননি আনসেলমিনো। বরং অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তাকে বিভিন্ন ক্লাবে ধারে পাঠানো হয়।

চেলসির হয়ে মাত্র এক ম্যাচ

চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথমে ধারে বোকা জুনিয়র্সে ফেরেন আনসেলমিনো। এরপর খেলেছেন বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও স্ট্রাসবুর্গে। দুই ক্লাব মিলিয়ে মাত্র ১৩টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

বিশেষ করে ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলার সময় নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই ডিফেন্ডার। তবে চেলসিতে ফিরে নিয়মিত জায়গা নিশ্চিত করতে পারেননি।

চেলসির মূল দলের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র একবার মাঠে নেমেছেন আনসেলমিনো। সেটি ২০২৫ সালের ক্লাব বিশ্বকাপে বেনফিকার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে। ওই ম্যাচে মাত্র দুই মিনিটের মতো খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।

এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ মৌসুমেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। আগস্টে লুটনের বিপক্ষে কারাবাও কাপের ম্যাচে স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে নামা হয়নি তার। পুরো ম্যাচ বেঞ্চেই কাটাতে হয়।

ইনজুরিতে থমকে গেছে ক্যারিয়ার

ক্লাবে সুযোগের অভাবের পাশাপাশি ইনজুরিও ভুগিয়েছে আনসেলমিনোকে। মৌসুমের শুরু থেকেই ঊরুর চোটে রয়েছেন তিনি। ফলে নিয়মিত অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার সুযোগ ব্যাহত হয়েছে।

একজন তরুণ ফুটবলারের উন্নতির জন্য নিয়মিত ম্যাচ খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। কিন্তু আনসেলমিনো এখনো সেই সুযোগ পাননি।

তবে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। স্ক্যালোনির অধীনে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে তার ক্যারিয়ারে নতুন গতি আসতে পারে।

চেলসি থেকে আর্জেন্টিনা দলে আরও দুইজন

আনসেলমিনো ছাড়াও চেলসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও দুই ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন আর্জেন্টিনার স্কোয়াডে। তাদের একজন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

চোয়ালের হাড় ভাঙার কারণে চেলসির হয়ে সর্বশেষ তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি মার্টিনেজ। তবে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিনি। ফলে আন্তর্জাতিক বিরতির পর তাকে আবার ক্লাবে পাওয়ার আশা করতে পারে কোচ জাবি আলোনসোর দল।

অন্যদিকে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ভ্যালেন্তিন বার্কোও। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চেলসির হয়ে সাতটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনায় নতুনদের পরীক্ষা

লিওনেল মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার সামনে নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গত কয়েক বছরে স্ক্যালোনির অধীনে দলটি একাধিক বড় শিরোপা জিতেছে। বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার সাফল্যে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বও প্রতিষ্ঠা করেছে।

তবে সময়ের সঙ্গে দলের পরিবর্তন জরুরি। তাই নতুন খেলোয়াড়দের পরখ করতে চান স্ক্যালোনি। আনসেলমিনোর অন্তর্ভুক্তিও সেই পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।

অবশ্য জাতীয় দলে ডাক পেলেই মাঠে নামার নিশ্চয়তা নেই। উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে সুযোগ পেলে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে তাকে। আর ভালো করতে পারলে চেলসিতেও নতুন করে আলোচনায় আসতে পারেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

সব মিলিয়ে আনসেলমিনোর সামনে এখন বড় সুযোগ। ক্লাবে অনিয়মিত হলেও জাতীয় দলের হয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।