রহস্যে ঘেরা ভুতুড়ে ভবনের অজানা ইতিহাস
- আপডেট সময় : ০৫:০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৫৬ বার পড়া হয়েছে
ভয় আর কৌতূহল—দুটোই যেন একসঙ্গে জড়িয়ে আছে এই ভবনকে ঘিরে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় যেন পরিত্যক্ত, ভুতুড়ে এক স্থাপনা। তবে দেয়ালে চোখ পড়তেই রহস্য যেন আরও গভীর হয়। সেখানে লেখা—“Free Masons Hall 1910”।
কি এই ফ্রি মেসন? কারাই বা ব্যবহার করত এই ভবন? আর এত বছর পরেও কেন এটি আলোচনায়—এসব প্রশ্ন ঘুরপাক খায় স্থানীয়দের মনে।
জনশ্রুতি রয়েছে, এটি ছিল ইহুদিদের একটি ক্লাব। কেউ বলেন, এখানে গোপনে সভা করতেন তারা। আবার কেউ মনে করেন, এটি ছিল তাদের প্রার্থনার স্থান। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো মেলেনি।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, “Free Masons” বা ফ্রিম্যাসনরা একটি প্রাচীন ও রহস্যময় সংগঠন। মধ্যযুগে ক্যাথেড্রাল নির্মাণে যুক্ত পাথর শ্রমিকদের হাত ধরে যার সূচনা, আর ১৭১৭ সালে এটি আনুষ্ঠানিক রূপ পায়। এটি কোনো ধর্মীয় সংগঠন না হলেও, এতে কিছু ধর্মীয় উপাদান রয়েছে—যা প্রচলিত অনেক ধর্মীয় ধারণার সঙ্গে ভিন্ন, কখনো কখনো বিপরীতও।
বাংলাদেশে বর্তমানে ইহুদিদের উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে—এখন এই ভবনের ভেতরে কী হয়? কারা পরিচালনা করছে এটি?
বর্তমান দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনটি এখন সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। নিয়মিত এটি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য—একসময় এখানে ইহুদিরা বসবাস করত, এমনটাই তারা লোকমুখে শুনে আসছেন। পরবর্তীতে আশির দশকে ভবনটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
সময়ের পরিক্রমায় ভবনটির আসল ইতিহাস যেন হারিয়ে গেছে অজানার অতলে। ইহুদিদের সেই গল্প কতটা সত্য, আর কতটা কেবলই লোককথা—তার নির্ভরযোগ্য উত্তর আজও অমীমাংসিত। তাই রহস্য ঘেরা এই ভবন নিয়ে মানুষের আগ্রহও কমেনি এতটুকু।






















