প্রতারণার অভিযোগে লেকশোর হোটেলের এমডির বিরুদ্ধে পরোয়ানা
- আপডেট সময় : ০১:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫২৬ বার পড়া হয়েছে
বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগে লেকশোর হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী তারেক শামস ও তার সহযোগী এম এ মাসুদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার ৪ নম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনায়েদ এ আদেশ দেন।
বাবার অসুস্থতার সুযোগ নেওয়ার অভিযোগ
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও স্মৃতিভ্রমে আক্রান্ত বাবা কাজী শামসুল হকের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নেন কাজী তারেক শামস। সহযোগী এম এ মাসুদের সহায়তায় প্রতারণার মাধ্যমে লেকশোর হোটেলের শেয়ার নিজেদের নামে লিখে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই-বোনেরা আদালতে মামলা করেন।
দুই দফা তদন্ত করেছে সিআইডি
বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল জানান, মামলাটি দুই দফা সিআইডি তদন্ত করেছে। তদন্তে প্রতারণার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়।
আদালত তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে মামলাটি আমলে নেন। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়।
আদালতে হাজির না হওয়ায় পরোয়ানা
আইনজীবী জানান, সমন জারির পরও কাজী তারেক শামস ও এম এ মাসুদ আদালতে হাজির হননি। এ কারণে আদালত তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন।
আদালতের আদেশে বলা হয়, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ১০৯ ধারায় অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে ৪০৬ ধারায় বিশ্বাসভঙ্গ, ৪২০ ধারায় প্রতারণা এবং ১০৯ ধারায় প্ররোচনা বা সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত মামলাটি বিচারার্থে আমলে নিয়ে দুই আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন।


























