০১:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, আতঙ্কে ফিলিস্তিনিরা

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫২৬ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বেড়েছে। গ্রামে গ্রামে হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও গুলির ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনায় ইসরাইলি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তা পাচ্ছে বসতি স্থাপনকারীরা।

শুক্রবার বেথলেহেমের আবু নুজাইম গ্রামে হামলা চালায় ইসরাইলি সেটেলাররা। এ সময় ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলাকারীরা গাড়ির জানালা ভেঙে মরিচের গুঁড়া স্প্রে করলে অ্যাম্বুলেন্সকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে গ্রামের প্রধান সড়কও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পশ্চিম তীরের হেবরনেও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। মাসাফের ইয়াত্তার তুবা এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে ১৪ শিশুসহ তিনটি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। হামলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও পশুখাদ্যও ধ্বংস হয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এদিকে শুক্রবার নাবলুস ও বেথলেহেম গভর্নরেটজুড়ে ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় দুই প্যারামেডিকসহ ছয় ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, নাবলুসের বেইত ফুরিক এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আহত এক ব্যক্তিকে চিকিৎসা দিয়েছেন তাদের কর্মীরা।

অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধের ধাক্কা কাটেনি। বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিশুদ্ধ পানির সংকট, অতিরিক্ত ভিড় ও স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতায় বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে শিশুরাও। বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

এর মধ্যেই গাজায় মোতায়েনের জন্য প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে সেনা পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে উগান্ডার সংসদ। মরক্কোও সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের ধাপ শেষ হলে গাজায় এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, আতঙ্কে ফিলিস্তিনিরা

আপডেট সময় : ১২:১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বেড়েছে। গ্রামে গ্রামে হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও গুলির ঘটনায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা। অভিযোগ উঠেছে, এসব ঘটনায় ইসরাইলি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সহায়তা পাচ্ছে বসতি স্থাপনকারীরা।

শুক্রবার বেথলেহেমের আবু নুজাইম গ্রামে হামলা চালায় ইসরাইলি সেটেলাররা। এ সময় ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলাকারীরা গাড়ির জানালা ভেঙে মরিচের গুঁড়া স্প্রে করলে অ্যাম্বুলেন্সকর্মীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে গ্রামের প্রধান সড়কও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পশ্চিম তীরের হেবরনেও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। মাসাফের ইয়াত্তার তুবা এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এতে ১৪ শিশুসহ তিনটি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। হামলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও পশুখাদ্যও ধ্বংস হয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এদিকে শুক্রবার নাবলুস ও বেথলেহেম গভর্নরেটজুড়ে ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় দুই প্যারামেডিকসহ ছয় ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, নাবলুসের বেইত ফুরিক এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আহত এক ব্যক্তিকে চিকিৎসা দিয়েছেন তাদের কর্মীরা।

অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধের ধাক্কা কাটেনি। বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিশুদ্ধ পানির সংকট, অতিরিক্ত ভিড় ও স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতায় বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় বহু মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে শিশুরাও। বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

এর মধ্যেই গাজায় মোতায়েনের জন্য প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে সেনা পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে উগান্ডার সংসদ। মরক্কোও সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের ধাপ শেষ হলে গাজায় এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে।