০৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজি আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুত রয়েছে। একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলেও তাদের সেই অপচেষ্টা সফল হবে না।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

দেশে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন সার মজুত

সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে অতীতে সারের কোনো সংকট ছিল না। বর্তমানেও সারের সংকট নেই। কৃষকদের চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুত রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন সার মজুত আছে। এই মজুত থাকা সত্ত্বেও একটি অসাধু চক্র সারের কৃত্রিম সংকট দেখানোর অপচেষ্টা করেছে। তবে এ ধরনের চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সারের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তাই সারের সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ডিলারশিপ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

সারের ডিলারশিপ বিতরণ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা যাতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ডিলারশিপ দেওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা পাওয়া গেলে তা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ডিলারশিপ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রীর মতে, ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সঠিক সময়ে সার পৌঁছে দেওয়া এবং বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আমদানিনির্ভরতা কমছে

এদিকে, দেশের আমদানিনির্ভর পণ্যের তালিকা ধীরে ধীরে কমে আসছে বলেও জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এমন কিছু পণ্য ছিল, যেগুলো প্রতিবছরই আমদানি করতে হয়েছে। তবে চলতি বছর পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, এসব পণ্যের কিছু এখন পর্যন্ত আমদানি করার প্রয়োজন হয়নি। তাঁর মতে, এটি দেশের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।

সারের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা, ডিলারশিপ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর বিষয়গুলো কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হাজি আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুত রয়েছে। একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলেও তাদের সেই অপচেষ্টা সফল হবে না।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

দেশে ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন সার মজুত

সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে অতীতে সারের কোনো সংকট ছিল না। বর্তমানেও সারের সংকট নেই। কৃষকদের চাহিদা মেটাতে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুত রয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশে মোট ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন সার মজুত আছে। এই মজুত থাকা সত্ত্বেও একটি অসাধু চক্র সারের কৃত্রিম সংকট দেখানোর অপচেষ্টা করেছে। তবে এ ধরনের চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সারের সরবরাহ ও মজুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তাই সারের সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

ডিলারশিপ বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

সারের ডিলারশিপ বিতরণ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা যাতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ডিলারশিপ দেওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা পাওয়া গেলে তা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ডিলারশিপ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রীর মতে, ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সঠিক সময়ে সার পৌঁছে দেওয়া এবং বিতরণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আমদানিনির্ভরতা কমছে

এদিকে, দেশের আমদানিনির্ভর পণ্যের তালিকা ধীরে ধীরে কমে আসছে বলেও জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এমন কিছু পণ্য ছিল, যেগুলো প্রতিবছরই আমদানি করতে হয়েছে। তবে চলতি বছর পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রম দেখা গেছে।

কৃষিমন্ত্রী জানান, এসব পণ্যের কিছু এখন পর্যন্ত আমদানি করার প্রয়োজন হয়নি। তাঁর মতে, এটি দেশের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।

সারের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা, ডিলারশিপ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর বিষয়গুলো কৃষি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।